Wednesday, October 27, 2021

ব্যাংকের চাকরিতে তরুণেরা আগ্রহী কেন?

আরও পড়ুন

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে সংখ্যাটা শ খানেক। দেশে প্রতিবছর যে লাখো তরুণ উচ্চশিক্ষার পথ পাড়ি দিয়ে চাকরির বাজারে ঢোকার চেষ্টা করছে, তাদের জন্য কর্মসংস্থানের বড় জায়গা এসব প্রতিষ্ঠান। তরুণদের বড় অংশের পছন্দের শীর্ষেও ব্যাংকিং ক্যারিয়ার।

বাংলাদেশের বর্তমান আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে ব্যাংকিং পেশা নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়; চমকপ্রদ। যেকোনো বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের ব্যাংকগুলোতে দ্রুত নিয়োগ, মানসম্মত বেতন ও আর্থিক সুবিধা, স্বল্প সুদে গৃহ ও গাড়ি লোন এবং শীর্ষ পদে যাওয়ার সুযোগসহ দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তরুণদের প্রবলভাবে আকৃষ্ট করে। এ ছাড়া ব্যাংকারদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, সুশৃঙ্খল পরিবারটি জীবনাচরণও অনেকের কাছে আকর্ষণীয়। গত কয়েকটি নিয়োগ পরীক্ষার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৬ হাজার পদের বিপরীতে ১০ লাখ আবেদন জমা পড়েছে।

বিগত কয়েক বছরে বেশ কিছু পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মাল্টিপল ক্যারিয়ার চয়েজ’ নিয়ে কথা বলার সময় শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ার বা চাকরি ভাবনা কিছুটা হলেও আমার জানা সম্ভব হয়েছে। তা ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাদের মতামত চোখে পড়ে। বাংলাদেশে ‘সরকারি চাকরি (পাবলিক সার্ভিস)’, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান’, ‘করপোরেট ক্যারিয়ার’ এবং ‘শিক্ষকতা ও গবেষণা’ এই চারটি অপশনের মধ্যে বেশির ভাগরই মোটাদাগে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার ঝোঁক। এর মধ্যে একটি বড় অংশ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসহ বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী। শুধু ব্যাংকিং, ফিন্যান্স, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি–সংক্রান্ত বিষয়-ই নয়, বিজ্ঞান, কৃষি প্রকৌশলসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত বিষয়ে পড়াশোনা করা তরুণেরাও ক্রমেই ঝুঁকছে ব্যাংকের দিকে।

কী সুযোগ কেমন সুযোগ?

বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক ও অফিসার পদে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের অধিকাংশই কৃষি, বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। যেমন আমাদের পরবর্তী ব্যাচের সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে স্নাতকোত্তর একজন শিক্ষার্থী। আবার সে বছর ব্যাচের অফিসার নিয়োগ পরীক্ষায়ও প্রথম হয়েছিলেন একজন ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েট। বলতে দ্বিধা নেই, আমিও ফার্মেসিতে উচ্চশিক্ষা নিয়ে কিছুদিন বেসরকারি চাকরিতে থাকলেও শেষমেশ সেখানে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে থিতু হয়েছি। তবে পড়াশোনার বিষয় ভিন্ন হওয়ার কারণে শুরুতে একটু সমস্যা হলেও সরাসরি ব্যাংকিং অপারেশন না থাকায় এখানে তা কাটিয়ে উঠতে সময় লাগেনি। তা ছাড়া দেশে–বিদেশে পেশাসংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ ও পড়াশোনার সুযোগ তাত্ত্বিক জ্ঞান ও পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে বেশ সহায়ক। যেমন বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের (নবম গ্রেডের) একজন স্থায়ী কর্মকর্তা ব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) থেকে এমবিএম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ থেকে এমডিএস বা আইবিএতে এক্সিকিউটিভ এমবিএ করার সুযোগ পান।

আরও দেখুন:
ক্যাশ অফিসার নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাংকিং ক্যারিয়ার গড়তে যে বিষয়গুলির উপর বেশী গুরুত্ব দিতে হবে

তাছাড়া বিভিন্ন সংস্থার বৃত্তির আওতায় দেশের বাইরে স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেষণে বা শিক্ষা ছুটিতে উচ্চতর পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ পেতে পারেন। দেশে বিদেশে আরও বেশ কিছু স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদি পেশাসংশ্লিষ্ট কোর্স করার সুযোগ রয়েছে। এসব কারণে ভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পেশাগত ক্ষেত্রে অনেকেই ভালো করছেন; দায়িত্বশীল পদে আসীন হচ্ছেন। শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয়, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকেও যথাযথ পেশাগত প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে গ্রাহকসেবা প্রদান, দেশি-বিদেশি বাণিজ্যের অর্থনৈতিক লেনদেন এ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন। আবার একটি ব্যাংকে চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর বিভিন্ন প্রকল্প, বেসরকারি কোম্পানি এবং অন্যান্য ব্যাংকেও চাকরির সুযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত এবং বৈদেশিক ব্যাংকগুলোর অন্যান্য দেশেও শাখা আছে। ভালো কর্মদক্ষতার ওপর নির্ভর করে এসব বৈদেশিক শাখাতেও আপনি চাকরির সুযোগ পেতে পারেন। ব্যাংকে চাকরির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতার ওপর ভিত্তি করে বেতন বাড়তে থাকে। অভ্যন্তরীণ লেনদেন থেকে শুরু করে বৈদেশিক বাণিজ্য, বৈদেশিক মুদ্রার আদান–প্রদান, জনগণের সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধি, আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ, আমানত সুরক্ষা, গচ্ছিত আমানতের সদ্ব্যবহার তথা ঋণ প্রদান ও আদায়, বিনিয়োগ বৃদ্ধি—এমন প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাংকের নিরবচ্ছিন্ন ভূমিকা রয়েছে। কর্মপরিধির ওপর ভিত্তি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে মূলত ইনভেস্টমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং, আর্থিক প্রশাসন বিভাগ, অবকাঠামো বিভাগ, আইটি বিভাগ, বিভিন্ন শাখা তদারকি বিভাগ, মানবসম্পদ বিভাগ এবং মার্কেটিং বিভাগে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ভোক্তা বিভাগ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বিনিয়োগ নীতি ও পরিকল্পনা বিভাগ এবং মনিটরিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে অপারেশন শাখা। বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনা বিভাগ, গার্মেন্টস বিভাগ, রাজস্ব তহবিল ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বৈদেশিক রেমিট্যান্স বিভাগ সমন্বয় করে ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং শাখা এবং মনিটরিং বিভাগ, কমপ্লায়েন্স বিভাগ এবং অডিট ও তত্ত্বাবধান বিভাগের মাধ্যমে ইন্টারনাল কন্ট্রোল অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স এই শাখার কাজ করে থাকে। গৎবাঁধা কাজের বাইরেও ব্যাংকগুলো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বিশেষ বিশেষ কাজ করে থাকে।

গুরুত্ব বাড়ছে ব্যাংকের

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে ব্যাংকিং খাত আরও বিস্তৃত ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোতে নিয়োগ বেড়েছে। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও বেড়েছে অনেক গুণ। বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক, অফিসার, ডেটা কন্ট্রোল অফিসারসহ বেশ কিছু বিশেষায়িত পদে যেমন আইটি, লাইব্রেরি, গবেষণা, পরিসংখ্যান বিভাগে যোগদানের সুযোগ রয়েছে। জেনারেল সাইডে যেকোনো বিষয়ে ন্যূনতম স্নাতক (কমপক্ষে দুটি প্রথম শ্রেণিসহ) হলেই আবেদন করা যায়। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর চাহিদার নিরিখে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি মূলত অফিসার ও সিনিয়র অফিসার পদের জন্য সদ্য স্নাতকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে। এ ছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশেষায়িত পদেও জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা করে থাকে। তবে বেসরকারি ব্যাংকের নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। তারা জাতীয় পত্রিকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন চাকরির ওয়েবসাইট এবং ব্যাংকগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইটে নিয়োগের বিজ্ঞাপন দেয় এবং নিজস্ব জনসম্পদ বিভাগের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। সরকারি ব্যাংকগুলোর নিয়োগের ক্ষেত্রে যেমন যেকোনো বিষয়ে পড়ালেখা করেই আবেদনের সুযোগ পাওয়া যায়, বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে মূলত ব্যবসায় ও অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট ছাত্রছাত্রীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়। পাশাপাশি ইংরেজি, পরিসংখ্যান, গণিত, উন্নয়ন অধ্যয়নসহ আরও কিছু বিষয়ে ডিগ্রিধারীদেরও সুযোগ দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ব্যাংকভেদে Management Trainee Officer (M.T.O) or Probationary Officer (P.O), IT office, Cash Officer প্রভৃতি পদে বেসরকারি ব্যাংকগুলো নিয়োগ দিয়ে থাকে।

প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে?

বাংলাদেশ ব্যাংক, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে ব্যাংকভেদে কিছুটা ভিন্নতা লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশ ব্যাংক, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংক ব্যাংকে নিয়োগ প্রক্রিয়া সাধারণত তিন ভাগে হয়। প্রথম ধাপটি নকআউটভিত্তিক। বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তরপর্ব বা এমসিকিউতে টিকলেই কেবল বসতে পারবেন লিখিত পরীক্ষায়। সাধারণত দুটি অংশের পরীক্ষা আলাদাভাবেই হয়। ব্যাংকভেদে পরীক্ষার সময় ও নম্বর বণ্টনে তারতম্য দেখা যায়। প্রশ্নের ধরনও কিছুটা ভিন্ন হলেও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে পড়াশোনা প্রায় একই রকম। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি অংশে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান এবং কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি অংশ থেকে সাধারণত ৮০টি প্রশ্ন করা হয়। এ ক্ষেত্রে ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কর্তন করা হয় বিধায় বাড়তি সময় সচেতনতা, তাত্ত্বিক বুদ্ধিমত্তা, সার্বক্ষণিক মনোযোগ ও মনোবল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজিতে রচনা, সংক্ষিপ্ত অনুবাদ, প্যাসেজ থেকে প্রশ্নোত্তর, ভুল সংশোধনের ওপর প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। এই অংশে ভালো করার জন্য অন্তত একটি ইংরেজি ও বাংলা পত্রিকা নিয়মিত পড়ার অভ্যাস থাকলে কাজে আসে। বিশেষ করে অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পাতা এবং সাম্প্রতিক কলামগুলো নিয়মিত পড়লে বিশ্লেষণ সক্ষমতা বাড়ে। এ ছাড়া দেশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি), রপ্তানি ধারা, প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স, রিজার্ভ, কৃষি পরিস্থিতি, দারিদ্র্য হ্রাস, শ্রমবাজার, বিনিয়োগ পরিস্থিতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে অগ্রগতির চিত্র, প্রয়োজনীয় তথ্য টুকে রাখলে সব ক্ষেত্রেই কাজে আসে।

আপনিও আসতে পারেন

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার পাশাপাশি নিজেদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সার্বিক মূল্যায়নে ব্যাংকিং ক্যারিয়ার একটি চমৎকার সময়োপযোগী পেশা। দেশে ক্রমবর্ধমান ব্যাংকিং খাতে বিভিন্ন পদে যেমন প্রচুর চাহিদা তৈরি হয়েছে, তেমনি বেড়েছে নানামুখী চ্যালেঞ্জ ও পেশাগত চাপ। তাই ব্যাংকিং পেশার জন্য আপনি বা আপনার জন্য ব্যাংকিং পেশাটি উপযুক্ত কি না, সেটা বিশ্লেষণ করাটাও জরুরি। লোভনীয় বেতন-ভাতা বা অন্যের দেখাদেখি হুট করে ব্যাংকিং সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে অগ্রসর হওয়ার আগে নিজের ‘ইচ্ছা’ এবং ‘যোগ্যতা’-কে বিবেচনা করা শ্রেয়। জেনেশুনে গুছিয়ে নিয়মমাফিক পড়াশোনা করতে পারলে প্রস্তুতি পোক্ত করতে খুব একটা সময় লাগেনি। স্নাতক পর্যায়ের শেষের দিকের শিক্ষার্থীরা এখনই শুরু করতে পারেন প্রস্তুতিপর্ব। আগের পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন দেখে বুঝে শুরু করতে পারলে বাকি পথ এগোনো সহজ। শুভকামনা সবার জন্য।

লেখক: নাজমুল হুদা, উপপরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক।

Leave a Reply

সাম্প্রতিক পোস্ট

এ সম্পর্কিত আরও দেখুন