টিআইবিঃ বৈধভাবে পৃথিবীর যে কোন দেশে যেতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির একটি পাসপোর্ট প্রয়োজন। এটি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতিরও বড় দলিল। জাতীয় পরিচয়পত্র বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে অন্যতম জোরালো প্রমাণপত্র কিন্তু দেশের গন্ডি পেরোলেই এ পরিচয়পত্র প্রায় অচল। সেখানে কেবল পাসপোর্টই ব্যাক্তির হয়ে স্বাক্ষ্য দিতে পারে এবং প্রমাণ করতে পারে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। তাই শুধু বিদেশ যাওয়া নয়, মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতির জন্যও প্রত্যেক নাগরিকেরই পাসপোর্ট থাকা উচিত। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো অনলাইনে পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম।

পাসপোর্ট কি?

বাংলাদেশী পাসপোর্ট বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য বিদেশে ভ্রমণের কাজে ব্যবহৃত দলিল। জন্মসূত্রে বা অভিবাসনসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিকদেরকে এটি বাংলাদেশ সরকার প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশের  পাসপোর্ট অফিস বা বিদেশে বাংলাদেশী দূতাবাস হতে পাসপোর্ট দেয়া হয়ে থাকে। বাংলাদেশের পাসপোর্টে ইসরাইল ব্যতীত পৃথিবীর আর সব দেশে ভ্রমণের অনুমতি রয়েছে।

সাধারণভাবে পাসপোর্ট দুই ধরনের। হাতে লেখা পাসপোর্ট ও মেশিনে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট।

ক. হাতে লেখা পাসপোর্ট

বর্তমানে হাতে লেখা পাসপোর্ট ইস্যু করা হচ্ছে না। কেবল পুরনো পাসপোর্টের নবায়ন হচ্ছে। আগামি বছর পর্যন্ত এ ধরনের পাসপোর্ট ব্যবহার করা যাবে।

বর্তমানে হাতে লেখা পাসপোর্ট কোন কাজে ব্যবহার কার হচ্ছে না এবং কোন ইস্যু করা হচ্ছে না। তবে হাতে লেখা পাসপোর্ট যাদের আছে তাদের পাসপোর্টকে নবায়ন করে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করা হচ্ছে। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (আইসিএও) নীতিমালা অনুযায়ী ২০১২ সালের থেকে (এমআরপি) চালু করা হয়েছে।

খ. মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি  হচ্ছে এমন একটি পাসপোর্ট যাতে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য জলছাপের মাধ্যমে ছবির নিচে লুক্বায়িত থাকে এবং একই সঙ্গে এতে থাকে একটি “মেশিন রিডেবল জোন (MRZ)” যা পাসপোর্ট বহনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, বিবরণী ধারণ করে। MRZ লাইনে লুকায়িত তথ্য শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মেশিনের মাধ্যমে পড়া যায় ফলে ভ্রমণ ডকুমেন্টের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায় এবং MRZ লাইন দ্রুততম সময়ে পড়া যায় ফলে ইমিগ্রেশনে  প্রক্রিয়াকরণ সময় কম লাগে। আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়;

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি এর জন্য কিভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন

১ম ধাপ : টাকা জমা

পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে প্রথম যে ধাপ তা হচ্ছে সরকার নির্ধারিত ফি সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া। এটি আপনাকে ব্যাংকে যেয়ে জমা দিয়ে আসতে হবে কারণ অনলাইনে আবেদন ফর্মে ঐ ব্যাংকের রিসিট নম্বর এবং জমার তারিখ সংযুক্ত করতে হবে। বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিস কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকের শাখাতে আপনি পাসপোর্টের ফি জমা দিতে পারবেন।

সোনালী ব্যাংকের পাশাপাশি আরও ৫টি ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারবেন।

  • ওয়ান ব্যাংক
  • ট্রাস্ট ব্যাংক
  • ব্যাংক এশিয়া
  • প্রিমিয়ার ব্যাংক
  • ঢাকা ব্যাংক।

রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা [৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা] ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট ( Bangladeshi Passport) পেতে হলে। আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা [ ৬০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৬৯০০.০০ টাকা] ১০ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে ।

পাসপোর্ট ফিস সংক্রান্ত তথ্যাবলী

২য় ধাপ : অনলাইনে ফরমপূরণ

অনলাইনে ফরম পূরণ এমআরপি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। খুব মনোযোগ দিয়ে অনলাইনের ফরম পূরণ করতে হবে, যেন কোনো ভুল ত্রুটি না হয়। এক্ষেত্রে যে কাজ করতে হবে;

  • অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এর ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
  • তারপর ‘I have read the above information and the relevant guidance notes’ টিক চিহ্ন দিয়ে ‘continue to online enrollment’ এ ক্লিক করতে হবে।
  • আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি- যেমন : আপনার নাম, পিতা-মাতার নাম। এই নামগুলো যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেট কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো একই হয়। কোনো তথ্য ভুল হলে পাসপোর্টে হতে সমস্যা হবে।
  • মেইল অ্যাড্রেস ও মোবাইল নম্বার দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই যেটি ব্যবহৃত হচ্ছে সেটি দেয়া উচিত।
  • টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নম্বর দিতে হবে।
  • পাসপোর্ট টাইপ সিলেক্ট করতে হবে ‘ordinary’।
  • যে অংশগুলো লাল স্টার মার্ক দেয়া রয়েছে, সেগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
  • Delivery Type অংশে ৩০ দিনের জন্য হলে Regular এবং ১৫ দিনের জন্য হলে Express সিলেক্ট করতে হবে।
  • সম্পূর্ণ ফরমটি পূরণ হলে পুনরায় এটি চেক করতে হবে, সব তথ্য টিক আছে কি না, তা যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে।
  • সর্বশেষ আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেই দিনটা নির্বাচন করে সাবমিট করুন।
  • সফলভাবে সাবমিট করা হলে পূরণ করা ফরমের একটি পিডিএফ কপি যে ই-মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে ফরম পূরণ করা হয়েছে, সেখানে চলে আসবে।

অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন।

৩য় ধাপ : ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন

  • এবার মেইলে আসা পিডিএফ কপির ২ কপি কালার প্রিন্ট করতে হবে।
  • এতে আবেদনকারীর স্বাক্ষর করার স্থানে সই করতে হবে।
  • এবার নিজের চার কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোনো প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিতে হবে (পরিচিত কাউকে দিয়ে সত্যায়ন করালে ভাল। কারণ ওই কর্মকর্তার নাম, যোগাযোগ ও ফোন নম্বর এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর ফরমে লিখতে হয় )।

৪র্থ ধাপ : পুরো ফরম রি-চেক

  • সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফরমের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
  • জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটিও প্রিন্ট করা ফরমটির সঙ্গে যুক্ত করে দিতে হবে।
  • শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করলে অবশ্যই স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ফটোকপি সত্যয়িত করে ফরমের সঙ্গে যুক্ত করতে দিতে হবে।
  • এসব ধাপ শেষ করলে ফর্মটি জমা দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

৫ম ধাপ : ফরম জমা এবং ছবি তোলা

  • অনলাইনে ফর্ম পূরণের ১৫ দিনের মধ্যে ফর্মের প্রিন্ট কপি, সত্যায়িত ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ফটোকপি পাসপোর্ট অফিসে নিয়ে যেতে হবে।
  • পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময় অবশ্যই সাদা পোশাক পরবেন না।
  • সকালের দিকে পাসপোর্ট অফিসে গেলে ভালো হয়। (তখন লাইনে ভিড় কম থাকে)।
  • সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে ঢুকতে হবে।
  • আপনার ফর্ম সাথে নিয়ে সেখানে দায়িত্বরত সেনা সদস্যকে জানান আজ আপনার ছবি তোলার দিন নির্ধারিত আছে। তিনি আপনাকে দেখিয়ে দিবে কোথায় ফর্ম সহ আপনাকে যেতে হবে।
  • এরপর নির্দিষ্ট রুমে গিয়ে সিরিয়াল আসলে ছবি তোলার জন্য ডাক পড়বে।
  • ছবি তোলার পর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে।
  • এবার পাসপোর্ট রিসিভের একটা রিসিট দেয়া হবে।

৬ষ্ঠ ধাপ : পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট গ্রহণ

  • যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই পুলিশ ভেরিফিকেশান হয়ে থাকে।

  • ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।
  • পাসপোর্টে আপনার তথ্য সঠিক আছে কিনা যাচাই করে নিন এবং কোন তথ্য ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে জানিয়ে তাৎক্ষণিক পাসপোর্ট  সংশোধন করে নিতে পারবেন।
  • ভুল হয়ে গেলে, পাসপোর্ট (এমআরপি) রি-ইস্যু/তথ্য পরিবর্তন/পাসপোর্ট  সংশোধন এর নিয়মাবলী ও আবেদন ফরম, পাসপোর্ট নবায়ন এর জন্য এই ফরমটি পূরণ করে বর্তমান পাসপোর্ট এর ফটোকপি ও ব্যাংকে টাকা জমার রশিদ সংযুক্ত করতে হবে এবং মূল পাসপোর্টটি অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।
  • পাসপোর্ট নবায়ন করতে হলে, নির্দিষ্ট আবেদনপত্র পূরণ করে ব্যাংকে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে রশিদটি ওই আবেদনপত্রের সঙ্গে আঠা দিয়ে লাগিয়ে পাসপোর্ট সহ জমা দিতে হবে।

আবেদনের সঙ্গে যে সমস্ত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে-

  •  চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত সনদ/ ভোটার আইডি কার্ড/ জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা বিদ্যুৎ, গ্যাস/ পানির বিল/ বাড়ির দলিলের ফটোকপি ইত্যাদি।
  • বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র/পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।
  • ছাত্র/ছাত্রীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত প্রত্যয়ন পত্র/ পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।
    পাসপোর্ট করার সময় লক্ষ্যণীয়

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কতৃক প্রয়োজনীয় তথ্য

  • সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাষিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবি, সরকারি চাকুরীজীবিগণের নির্ভরশীল স্বামী/স্ত্রী এবং তাদের ১৫ (পনের) বৎসরের কম বয়সের সন্তান, ৫ (পাঁচ)/১০ (দশ) বৎসরের অতিক্রান্ত, সমর্পণকৃত (সারেন্ডারড)দের জন্য একটি ফরম ও অন্যান্যদের ক্ষেত্রে নতুন পাসপোর্টের জন্য ২ (দুই) কপি পূরণকৃত পাসপোর্ট ফরম দাখিল করতে হবে।
  • অপ্রাপ্তবয়স্ক(১৫ বছরের কম) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পিতা ও মাতার একটি করে রঙিন ছবি (৩০ x ২৫ মিঃমিঃ) আঠা দিয়ে লাগানোর পর সত্যায়ন করতে হবে।
  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক টেকনক্যাল সনদসমূহের (যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) সত্যায়িত ফটোকপি।
  • যে সকল ব্যক্তিগণ পাসপোর্টের আবেদনপত্র ও ছবি প্রত্যায়ন ও সত্যায়ন করতে পারবেন – সংসদ সদস্য, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলরগণ, গেজেটেড কর্মকর্তা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরগণ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক, নোটারী পাবলিক ও আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের গ্রেডের কর্মকর্তাগণ।
  • সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাষিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী ও তাদের স্বামী/স্ত্রী এবং সরকারি চাকুরীজীবিগণের ১৫ (পনের) বৎসরের কম বয়সের সন্তান সাধারণ ফি জমা করে জরুরী সুবিধা পাবেন।
  • প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও (GO)/এনওসি(NOC) দাখিল করতে হবে।
  • অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবি ও তাদের নির্ভরশীল স্বামী/স্ত্রী সাধারণ ফি প্রদান করে জরুরী সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের সনদ দাখিল করতে হবে।
  • পাসপোর্ট সমর্পণকৃতদের (সারেন্ডারড) আবেদনপত্রের সাথে অবশ্যই পূর্বের পাসপোর্ট নিয়ে আসতে হবে।
  • কূটনৈতিক পাসপোর্ট লাভের যোগ্য আবেদনকারীগণকে পূরণকৃত ফরম ও সংযুক্তিসমূহ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে জমা দিতে হবে।
  • শিক্ষাগত বা চাকুরীসূত্রে প্রাপ্ত পদবীসমূহ (যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ডক্টর, পিএইচডি ইত্যাদি) নামের অংশ হিসেবে পরিগণিত হবে না। ফরমের ক্রমিক নং ৩ পূরনের ক্ষেত্রে, একাধিক অংশ থাকলে প্রতি অংশের মাঝখানে ১টি ঘর শূন্য রেখে পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর পিতা, মাতা, স্বামী/স্ত্রী মৃত হলেও তার/তাদের নামের পূর্বে ‘মৃত/মরহুম/Late’ লেখা যাবে না।
  • ছবি তোলার সময় সাদা পোশাক, সাদা ‍টুপি এবং চোখে চশমা পরা যাবে না।
  • ছবি, স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ প্রদানের পুর্বে একটি প্রাক ডেলিভারী রশিদ প্রদান করা হয় যাতে পাসপোর্ট এ প্রদর্শিত সকল তথ্য দেওয়া থাকে। উক্ত রশিদে আপনার তথ্য সঠিক আছে কিনা যাচাই করে নিন এবং কোন তথ্য ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে জানিয়ে তাৎক্ষণিক সংশোধন করে নিতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, পাসপোর্ট আবেদনকারীর ছবি, স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ প্রদানের পর মূল ডেলিভারী রশিদ প্রদান করা হয় এবং এরপর সংশোধনের আর কোন সুযোগ থাকে না। অতএব, কাউন্টার ত্যাগের পূর্বে আপনার তথ্য যাচাই করে ডেলিভারী রশিদ বুঝে নিন।
  • www.passport.gov.bd এই ঠিকানায় প্রবেশ করে Application Status অপশন থেকে ডেলিভারী রশিদে প্রদত্ত আপনার Enrolment ID এবং Date of Birth প্রদান করে আবেদনের বর্তমান অবস্থা জেনে নিতে পারবেন।

বিঃ দ্রঃ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিটি বিভাগীয়/আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে মুক্তিযোদ্ধা, বৃদ্ধ নাগরিক, অসুস্থ ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী নাগরিকদের জন্য আলাদা কাউন্টারে আবেদন করার ব্যবস্থা আছে।

📂 অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করুন।

📂 অনলাইন আবেদন ফরমের জন্য ক্লিক করুন।

Leave a Reply