ব্যাংকারদের জন্য এহেন প্রণোদনা কী সত্যিই বাস্তব সম্মত ছিল?

0

২৮ মে’-র পর সাধারণ ছুটিকালীল বিশেষ প্রণোদনা আর নাকি পাবে না ব্যাংকার গণ !!!
এত দ্রুত শ্যাষ !!!

কথায় আছে না “কামড়ে কামড়ে খেলে দ্রুত শেষ হয়, আর অল্প অল্প করে চুষে খেলে শেষে হতে চায় না”।

মাত্র ১০ দিন অফিস করলেই ১ মাস!! আবার বেসিক যাই হোক ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ, বাহ্ কি সুন্দর!! এসব উচ্চাকাঙ্খী অভিলাষের কি কোনো দরকার ছিলো?

করোনা পরিস্থিতিতে ব্যাকিং সেক্টরের আয়ের উপর এমনিতেই নেগেটিভ প্রভাব, তার ওপর আবার প্রণোদনা বাবদ অতিরিক্ত ব্যয়, তাই বাস্তবতার নিরিখেই এখন প্রণোদনা বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

তাই যে বোঝা বহন করার সক্ষমতা নাই, সেই বোঝা নিজের উপর উঠিয়ে নেয়া মোটেও যৌক্তিক বা বুদ্ধিমানের কাজ ছিলো কিনা তা পাঠক আপনাদের উপরই ছেড়ে দিলাম।

প্রথম থেকেই যদি সাধারণ ছুটি কালীন প্রণোদনা বাবদ প্রতিদিন একটা যৌক্তিক allowance (ভাতা) নির্ধারণ করে দেওয়া হতো তাহলে এমনটি হতো বলে মনে হয় না!!!

আমার কিছু ব্যাংকার ভাই আমাকে হয়তো ভুল বুঝতে পারেন। আমার এই Status প্রণোদনার বিপক্ষে নয়। কারন আমি নিজেও তো একজন ব্যাংকার তাই না? ব্যাংকাররা কখনো প্রণোদনার আশায় ব্যাংকিং করে না। ব্যাংকাররা তাদের পেশাগত দায়িত্ববোধ থেকেই ব্যাংকিং করে থাকে। তবে এহেন Pandemic পরিস্থিতিতে ব্যাংকাদের জন্য বিশেষ কিছু ব্যবস্থপনা থাক এটা আমিও মনেপ্রাণে চাই। কিন্তু তাই বলে এমন কোনো কিছু করা ঠিক নয়, যার কারনে সাধারণ ছুটি কালীন প্রণোদনা বা অন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে। আমি আমার লেখার দ্বারা এটাই বুঝাতে চেয়েছি অন্য কিছু নয়।

আমাদের সবারই জানা যে “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করাই বেশি কঠিন “।
ব্যাপারটা তেমনই হয়ে গেলোনা?

লেখক: মোঃ কামাল হোসেন, ব্যাংকার।

Leave a Reply