ছুটি নিয়ে একজন ব্যাংকারের ভাবনা

0

ব্যাংক বন্ধ করলেন না, ওকে ফাইন। ২ ঘন্টা ব্যাংকিং করলাম,২ ঘন্টায় কি মানুষ আসবে না? আগে ৮ ঘন্টায় যত মানুষ আসত, তারা এখন ২ ঘন্টা ব্যাংকে এসে ব্যাংকটারে লোকাল বাজার বানায়া দিবে।

ধরেন আমি আক্রান্ত হইলাম, আমার ব্যাংকে যারা আসবে কেও কি সেফ থাকবে? ধরেন আমার অফিসের কেও একজন মারা গেল। কালকে থেকে কে আসবে ব্যাংকে? ভাই, আমি মরে গেলে কালকেই একজনরে আমার জায়গায় বসায়া দিবেন। সেবা অফ হবে না।

ভাই ঈদে কি ৭ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকে নাই? তো দেশের কি সব থেমে গেছিল? টাকা তোলার দরকার, জমা দেয়ার দরকার মাঝে একদিন খোলা রাখেন। ব্যাংকারের কি বউ বাচ্চা নাই? রাস্তাঘাট সব অফ করে দিবেন, ব্যাংকার সাতরায়া এসে ব্যাংকে হা করে বসে থাকবে?

আপনারা কি সিকিউরিটি দিছেন আমারে? আমার ব্রাঞ্চের ৯০% কাস্টমার আসে রেমিট্যান্স এর লেনদেন করতে, যাদের চৌদ্দগোষ্ঠী প্রবাসী। একটা হুইল সাবান দিয়া হাত ধোয়া ছাড়া আমাদের সিকিউরিটি কিছু নাই।

অন্য জনরে ১০ দিন ছুটি দিলেন আমাদের অন্তত ৭ দিন দেন। নয়ত হাতে ক্যালকুলেটর নিয়া বসে যান, দেখেন সারা বাংলাদেশের হাজার হাজার ব্যাংকের শাখার মাধ্যমে কি পরিমাণ রোগী নতুন করে আক্রান্ত হয়।

বাইচা থাকলে অনেক সেবা দিব, আক্রান্ত হইলে এই এলাকারে কবর বানায়া ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। দোয়া রাইখেন।

(সংগৃহীত)