শীর্ষ কর্মকর্তাদের সম্পদ ও আয়ের হিসাব দিতে হবে

0

ব্যাংকের সব পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও তার নিম্নতর দুই পদের কর্মকর্তাদের আয় ও সম্পদের তথ্য নিজ নিজ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে জমা দিতে হবে। তাঁরা যদি পারিবারিক সূত্রে সম্পদ বা ব্যবসায়ের অংশীদার হন, সে তথ্যও জমা দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশনা দিয়েছে।

সম্প্রতি একাধিক ব্যাংকের পরিচালক ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রথম এ বিষয়ে নির্দেশনা দিল। যদিও ব্যাংক কোম্পানি আইনে দীর্ঘদিন ধরেই এসব তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি নজরে এনেছে।

ব্যাংকগুলোকে পরিচালনা পর্ষদের সব ধরনের নথি বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এর ফলে কর্মকর্তা ও পরিচালকদের সম্পদের তথ্য জমা হলে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা হয়ে যাবে। এর মাধ্যমেই বিষয়টি তদারক করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১–এর ১৮ ধারার উপধারা (২) অনুযায়ী ব্যাংক-কোম্পানির প্রত্যেক পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী ও তার নিম্নতর দুই স্তর পর্যন্ত কর্মকর্তাকে নিজ নিজ বাণিজ্যিক, আর্থিক, কৃষি, শিল্প ও অন্যান্য ব্যবসার নাম, ঠিকানা ও অন্য বিবরণ এবং পারিবারিক ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্টতার বিবরণ লিখিতভাবে পরিচালনা পর্ষদের কাছে বার্ষিক ভিত্তিতে দিতে হবে। এ বিষয়ে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হলো।’

বলা হয়েছে, এসব তথ্য পরবর্তী বছরের ২০ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে দাখিল করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ সমাপ্ত বছরের জন্য এ-সংক্রান্ত বিবরণীগুলো চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যাংকে দাখিল করা যাবে।

লোপাটের মহোৎসবে পিকের পকেটে ১০ হাজার কোটি টাকা

জানা গেছে, নতুন নির্দেশনার ফলে সরকারি ব্যাংকের এমডির পাশাপাশি ডিএমডি ও মহাব্যবস্থাপক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের হিসাব জমা দিতে হবে। আর বেসরকারি ব্যাংকের অতিরিক্ত এমডি ও ডিএমডি পর্যায়ের কর্মকর্তারা হিসাবের আওতায় আসবেন।

Leave a Reply