লকডাউনে ব্যাংক লেনদেনের হালচাল

লকডাউনে ব্যাংক খোলা থাকলেও গ্রাহক সমাগম নেই বললেই চলে। সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত লেনদেনের কথা বলা ছিল। তবে সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি ব্যাংক ঘুরে দেখা গেছে একেবারেই লোক নেই। কিছু মানুষ ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক টাকা জমা দেওয়ার জন্য এলেও তারা ছিলেন হাতে গোণা।
এদিকে কঠোর লকডাউন চলাকালে রাজধানীর চাকরিজীবীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যাংকের কর্মকর্তারা। তাদের কেউ কেউ মাইলের পর মাইল হেঁটে অফিসে পৌঁছেছেন। কেউবা রিকশায় চড়ে স্বাভাবিকের চেয়ে পাঁচ ছয় গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে অফিসে আসেন।
মতিঝিলের সোনালী ব্যাংকের লোকাল অফিসে দেখা গেছে গ্রাহকের চেয়ে কর্মকর্তা বেশি। সকালের দিকে কিছু লোক টাকা জমা দিতে আসেন, তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের সংখ্যা কমে গেছে। দিলকুশায় ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের শাখায় গিয়ে ঢিলেঢালা চিত্র দেখা গেছে। তবে বেশ কয়েকটি ব্যাংকে সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশ তুলতে আসা মানুষরা সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। মূলত টাকা জমা দেওয়া ও ভিসা সম্পর্কিত কাজগুলো সীমিত পরিসরে চলছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, ১৩ এপ্রিল থেকেই বড় চেক বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ক্লিয়ারেন্সে কিছু জটিলতা হচ্ছে। আজও কয়েকটি জায়গায় এই অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় গতকাল ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত চলাচলে সর্বাত্মক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সরকারের এই নির্দেশনাকে সায় দিতে গিয়ে প্রথমে ব্যাংক বন্ধ রাখার কথা বলা হলেও পরে ওই সিদ্ধান্ত থেকেসরে আসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিধিনিষেধ চলাকালেও সীমিত পরিসরে খোলা থাকার কথা বলা হয়।
আরও পড়ুনঃ
– লকডাউনে সীমাহীন ভোগান্তিতে ব্যাংকের কর্মকর্তারা
– লকডাউনে যে নিয়মে চলবে ব্যাংক
– ব্যাংক খোলা নিয়ে তোঘলকি, করোনাজয়ী ব্যাংকাররাই!!!