জনশক্তি এবং প্রতিষ্ঠান উভয়ের জন্যই পদোন্নতি প্রয়োজন: নুরুল ইসলাম খলিফা

0
NURUL ISLAM KHALIFA

ইসলামী ব্যাংকের সাব ষ্টাফদের পদোন্নতি চেয়ে ফেসবুকে মাঝেমধ্যে কিছু লেখা চোখে পড়ে। আমি নিজেও প্রাসঙ্গিক ভাবে কখনও লিখেছি। সম্প্রতি কেউ একজন এ জাতীয় একটি লেখায় আমাকে ট্যাগ করে দিয়েছেন। আমাকে ট্যাগ করার কারন কি হতে পারে বুঝতে পারি নি।

আমি প্রমোশন দেয়ার কেউ নই, অথবা আমার কথায় কোনো কর্তৃপক্ষ প্রমোশন দিবেন আমি এমনও কেউ নই। হতে পারে এ বিষয়ে আমি যাতে কিছু লিখি সেজন্য আমাকে ট্যাগ করা।

আমি অতীতে এ বিষয়ে লিখেছি, তবে প্রমোশন প্রত্যাশিদের বুঝতে হবে এটি সোস্যাল মিডিয়ার কোনো বিষয় নয়। ফেসবুকে লিখে প্রমোশন পাওয়া যায় না। কর্তৃপক্ষকে নিজেদের দাবীর যৌক্তিকতা বুঝাতে হয় এবং তারা সেটা যৌক্তিক মনে করলেই এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে পারেন।

ইসলামী ব্যাংকের পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প এবং সাব ষ্টাফদের পদোন্নতির একটি নীতিমালা ছিল। অনেকেই পরীক্ষার রেজাল্ট বা সাময়িক কোনো সমস্যার কারনে অপেক্ষাকৃত নিম্ন পদে চাকুরীতে যোগ দেন এই আশায় যে, পরবর্তীতে যোগ্যতার প্রমান দিয়ে তারা পদোন্নতি পাবেন।

কিন্তু কোনো ক্যাডারকে একেবারে ব্লক করে দেয়া হলে, জনশক্তি হতাশ হয়, প্রতিষ্ঠানও সেই ক্যাডারের মেধাবী জনশক্তির সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। সুতরাং আমিও মনে করি যোগ্যতার নিরিখে সব গ্রেডেই পদোন্নতির সুযোগ থাকা উচিত।

আমি প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করেছিলাম যে, অগ্রনী ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম জনাব এ আর ভূঁইয়া হাবীব ব্যাংকে ড্রাইভার হিসেবে জয়েন করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি নিজ যোগ্যতায় ব্যাংকের ডিজিএম পদে উন্নীত হয়েছিলেন। তিনি ব্যাংকের ডিসিপ্লিন ও আ্যপিল ডিভিশনের প্রধান হিসেবে অনেক বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। এটি সম্ভব হয়েছিল কর্তৃপক্ষের সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য।

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান ম্যানেজমেন্ট অনেক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন জনশক্তির সুযোগ সুবিধা দিতে। কাজেই সকল গ্রেডের যোগ্য লোকদের পরবর্তী উচ্চ পদে প্রমোশনের একটা সুযোগ থাকা আধুনিক ব্যবস্থাপনার একটি সাধারণ নিয়ম। আশা করি তারা বিষয়টি ভেবে দেখবেন এবং যোগ্যদের সুযোগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে লাভবান করবেন।

আরও দেখুনঃ
পূবালী ব্যাংকে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে চাকরি পেলেন ২১২ জন

Leave a Reply