পূর্বানুমতি ছাড়া মাদকদ্রব্য আমদানির এলসি ইস্যু না করার নির্দেশ

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স, পারমিট, অনাপত্তি, পূর্বানুমতি ছাড়া মাদকদ্রব্য আমদানির এলসি (লেটার অফ ক্রেডিট) ইস্যু না করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

বুধবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে তা সকল অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স, পারমিট, অনাপত্তি, পূর্বানুমতি ছাড়া মাদকদ্রব্য আমদানির লেটার অফ ক্রেডিট (এলসি) ইস্যু না করার অনুরোধ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে একটি চিঠি দেয়। আর এই চিঠির পরই কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশনা জারি করলো।

আরও প্রকাশনা:
বৈদেশিক মুদ্রায় আন্তব্যাংক লেনদেনের শীর্ষে বেসরকারি ব্যাংক
শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন পূবালী ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী

গত ২১ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে একটি চিঠির দেয়। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত-২০২০) এর ১ম তফশিলে ‘ক’ ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর মাদকদ্রব্যগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই আইনের ৯, ১০ ও ১১ ধারা অনুযায়ী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ব্যতীত তফসিলে বর্ণিত মাদকদ্রব্যসমূহ আমদানি, সংরক্ষণ, ব্যবহার, গুদামজাতকরণ, সরবরাহ, বিপণন, ক্রয়, বিক্রয়, উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, বহন, পরিবহন ও স্থানান্তরের কোনও সুযোগ নেই।

কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের লাইসেন্স ব্যতীত বিভিন্ন ব্যাংক হতে ইস্যুকৃত লেটার অফ ক্রেডিট (এলসি) এর মাধ্যমে আইনের তফসিলভুক্ত মাদকদ্রব্য বিদেশ থেকে আমদানি করে বাজারজাত করছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। অপরদিকে আমদানিকৃত মাদকদ্রব্য বিভিন্নভাবে অপব্যবহার হচ্ছে।

এই অবস্থায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স/পারমিট/অনাপত্তি/পূর্বানুমতি ছাড়া মাদকদ্রব্য আমদানির করতে কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে এলসি ইস্যু না করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়। আর এর ধারাবাহিকতায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। যার ফলে আজ এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button