হোমব্যাংকারঅন্ধ বিশ্বাস বা কোন বিশ্বাস নয়, কাজ করুন এ্যাভিডেনস দেখে

অন্ধ বিশ্বাস বা কোন বিশ্বাস নয়, কাজ করুন এ্যাভিডেনস দেখে

প্রায়ইশই শুনা যায়, সিনিয়র কর্মকর্তাদের চাপে জুনিয়ররা বিভিন্ন ভাউচারে (ডেবিট-ক্রেডিট) ডকুমেন্টারী এ্যাভিডেনস না দেখে বা যাচাই না করেই স্বাক্ষর করে থাকে বা কোর ব্যাংকিং সিস্টেমে ট্রানজেকশন অথোরাইজড (অনুমোদন) করে। প্রমাণ বা সহায়ক কাগজ-পত্র ছাড়া এবং ভাল করে না জেনেশুনে সরাসরি স্বাক্ষর বা অনুমোদন দেয়ার এই কাজটি মোটেও কাম্য ও আইনসংগত নয়। আবার অন্যদের পাশওয়ার্ড জানিয়ে দেওয়াও একটি বিশাল ঝুঁকি ও অপরাধ।

মনে রাখা উচিৎ, এ রকম অন্ধ বিশ্বাসে কাজ করতে গিয়ে অপরাধে জড়িত না থেকেও বহু কর্মকর্তার জেল জরিমানা বা চাকুরী চ্যূত হতে হয়েছে।

তাই সাবধান। কেউ যদি বড় কর্তার চাপে বা কারসাজিতে বা পদবীর ক্ষমতায় উক্ত কাজটি করাতে চায়, তাহলে তা অবশ্যই শ্রোদ্ধার সাথে সহায়ক কাগজ-পত্রাদি চেয়ে নিবে, নয়ত: করবে না এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বা প্রধান কার্যালয়ে এইচআরডিকে বা এমডিকে বা আইসিসি বিভাগকে গোপনে বা সরাসরি জানিয়ে দিতে হবে। এটা নৈতিক দায়িত্ব।

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, যতদিন যাচ্ছে ব্যাংকিং জগতে মন্দের বা অসততার বেশ কার্যক্রম ধরা পড়ছে, যা ভবিষ্যত ব্যাংকারদের জন্য অশনি সংকেতই বটে।

তাই চোখ-কান খোলা রেখে অতি সাবধানতা অবলম্বন করে ও জেনে-বুঝে ব্যাংকিং কাজগুলো সমাধান করা উচিৎ। আবারও বলছি, সাবধান এবং প্রমাণ-পত্র ছাড়া কোন বিশ্বাস নয়।

কার্টেসি: আব্দুস সালাম, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড।

এ সম্পর্কিত আরও দেখুন

Leave a Reply

এ সপ্তাহের জনপ্রিয় পোস্ট

সর্বশেষ পোস্ট