কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরও এক বছরের অনাপত্তি পেল ‘নগদ’

কার্যক্রম পরিচালনায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আরও এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন অনুমোদন পেল নগদ। প্রতিষ্ঠানটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময় বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ডাক বিভাগের সঙ্গে মুনাফা ভাগাভাগির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম চলছে। অন্যদিকে একটি নতুন আর্থিক প্রতিষ্ঠান গঠন করে তার সাবসিডিয়ারি হিসেবে লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান।

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

বাংলাদেশে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস পরিচালিত হয়ে আসছে ব্যাংক-নেতৃত্ব মডেলে। তবে ২০১৮ সালের শেষ দিকে ডাক বিভাগের ডিজিটাল সেবা হিসেবে থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিসের মাধ্যমে এমএফএস সেবা শুরু করে নগদ। ২০২০ সালের মার্চে ব্যাংকগুলোকে দেওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় অনুমোদিত পিএসপি বা পিএসওর সঙ্গে লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এতে করে ডিস্ট্রিবিউটর থেকে অর্থ কালেকশন ও ই-মানি দেওয়ার জন্য পরিচালিত ‘ট্রাস্ট কাম সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট (টিসিএসএ)’ পরিচালনায় সমস্যা পড়ে ‘নগদ’। এর পর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্তর্বর্তীকালীন অনুমোদন নিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স নেওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের গত ৩০ আগস্টের সভায় নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি নামে একটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। কিছু প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ তাদের নামে লাইসেন্স ইস্যু করবে। পরে এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘নগদ’ এমএফএস সেবা পরিচালিত হবে।

আরও:
একাউন্ট বিহীন নম্বরে নগদ সেন্ড মানি করার নিয়ম
নগদ নিয়ে সংকটে ডাক বিভাগ, ঝুঁকিতে গ্রাহকের টাকা
আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনুমতি পেল ‘নগদ’

বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বর্তমানে ১৩টি প্রতিষ্ঠান এমএফএস সেবা দিচ্ছে। এসব এমএফএস থেকে গত জুলাই পর্যন্ত সব মিলিয়ে এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ১৮ কোটি ১১ লাখের বেশি। একই ব্যক্তি একাধিক প্রতিষ্ঠানে হিসাব খোলার সুযোগের ফলে অ্যাকাউন্ট সংখ্যা এত বেশি। গত জুলাইয়ে সব মিলিয়ে এমএফএসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮৯ হাজার ১৬৯ কোটি টাকা।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button