রেমিট্যান্স আহরণে ইসলামী ব্যাংকের সাফল্য

0

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা পৃথিবীর অনেক দেশেই কর্মী সরবরাহ করার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে যা তাদের অর্থনীতির চাকাকে সচল করেছে। এর ফলে অভিবাসী কর্মীদের পরিবারে যেমন স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে, তেমনি দেশের অর্থনীতিতেও উন্নয়নের প্রভাব পড়েছে। বলতে গেলে অভিবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স এসব দেশের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে মূলধন জোগানোর মূল উৎসে পরিণত হয়েছে। রেমিট্যান্স প্রাপ্ত পরিবারগুলো আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা নতুন সম্পদ অর্জন ও স্বাধীনভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বা অর্থনৈতিক কর্মে বিনিয়োগ করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশেষ করে গ্রামীন অর্থতিক উন্নয়নে রেমিট্যান্স বিশাল ভূমিকা পালন করছে। প্রায় এক কোটির বেশি বাংলাদেশী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত আছে যাদের শ্রম ঘামে পাঠানো রেমিট্যান্সে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশের রেমিট্যান্সে পরিমাণ সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের ১৪ গুন, পোশাক খাতে রপ্তানির ৩ গুন বেশি, জিডিপিতে ৭ শতাংশ এবং মোট জাতিীয় আয়ের ৫ শতাংশ অবদান রাখে।

বৈধ রেমিট্যান্স আনয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং ধারার পথিকৃৎ। এটি ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত দক্ষিণ এশিয়ার সর্বপ্রথম সুদ মুক্ত ইসলামি ব্যাংক। ব্যাংকটি ১৯৮৩ সালের ১৩ই মার্চ কোম্পানি আইন, ১৯১৩-এর অধীনে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসলামী ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৩ সালে ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। ১৯৮৪ সালে ফরেন টেমিট্যান্স কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ খাতে প্রথম কাজ শুরু করে এবং ২০০৭ সাল থেকে অব্যাহতভাবে দেশের বৃহত্তম রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংক হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে এ ব্যাংক।

বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসীদের ঘামের টাকা দেশে বৈধ পথে আনয়নের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ও নেতৃত্বদানকারীর ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকই সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আহরণ করে। ২০১৮ সালে ব্যাংকটি ৩,০১৩.৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ দেশের মোট রেমিট্যান্সের ১৯.২৯ শতাংশ আহরণ করেছে।

বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংকের তালিকাঃ

গত তিন বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষন করলে দেখা যায়, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ, অগ্রণী ব্যাংক লিঃ এবং সোনালী ব্যাংক লিঃ তাদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। অন্যান্য ব্যাংকগুলো ধারাবাহিকভাবে তাদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়নাই। জনতা ব্যাংক লিঃ ২০১৬ ও ২০১৭ সনে ৪র্থ স্থানে থাকলেও ২০১৮ ৫ম স্থানে নেমে গেছে। উত্তরা ব্যাংক লিঃ ২০১৬ সনে অষ্টম,ব্যাংক এশিয়া লিঃ নবম এবং প্রাইম ব্যাংক লিঃ দশম স্থান দখল করলেও পরবর্তীতে শীর্ষ দশে অবস্থান করতে পারে নাই।অন্যদিকে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিঃ ২০১৭ সেনে ১৫তম স্থান থেকে ২০১৮ সনে ৬ষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে। মোট কথা, রেমিট্যান্স আহরণে ব্যাংকগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক মনে করে, রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিতকে মজবুত করেছে। প্রবাসীদের আয়ে একদিকে যেমন তাদের পরিবারের আর্থিক সঙ্গতি বাড়ছে, তেমনি দেশের আয়-ব্যয় ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকে স্মরণকালের রেকর্ড বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে রেমিট্যান্সের অবদান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। এই বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগযোগ্য করতে পারলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার আরো বাড়ানো সম্ভব। প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ আরো বেশি আয় করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দক্ষ কর্মীরা নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রেও সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। ব্যাংকিং চ্যানেল রেমিট্যান্স আহরণে প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করছে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। এদিক থেকে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংকের প্রাধান্যই বেশি।

বিদেশে অবস্থিত ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে প্রবাসীরা ইসলামী ব্যাংক এমক্যাশ একাউন্টে সরাসরি ফরেন রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন। এ পদ্ধতিতে বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স ইসলামী ব্যাংকের যে কোনো শাখা, এটিএম বুথ, ইসলামী ব্যাংক অনুমোদিত এজেন্ট বা ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ সাইন বোর্ড নির্দেশিত মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর থেকে উত্তোলন করা যায়। ইসলামী ব্যাংক তৃতীয় ব্যাংকের রেমিট্যান্স পরিশোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (BEFTN) পদ্ধতিতে যথাসময়ে প্রেরণ করে থাকে। ইসলামী ব্যাংক ক্যাশ অন লাইন/স্পট ক্যাশ/ইন্সট্যান্ট ক্যাশ/ক্যাশ ওভার দ্য কাউন্টার ইত্যাদি পেমেন্টকে আরো উন্নত ও যুগোপযোগী করতে অনলাইন মানি ট্রান্সফার সিস্টেম প্রবর্তন করেছে। সেন্ট্রাল রেমিট্যান্স প্রসেসিং ইউনিট প্রক্রিয়ায় ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজ প্রদত্ত অর্থ ব্যাংকের ফরেন রেমিট্যান্স সার্ভিসেস ডিভিশনে পৌঁছামাত্রই সঙ্গে সঙ্গে প্রবাসী গ্রাহকদের একাউন্টে জমা করা হয়।

গত তিন বছরে জাতীয়ভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি থাকায় ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স আহরণেও নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক ধরে বিশ্ব ব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা বিরাজ করছে যার প্রভাব পড়েছে দেশের জনশক্তি রফ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে। গত ২০১৮ সালে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হওয়ায় ইসলামী ব্যাংকও পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

ইসলামী ব্যাংক সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, কাতার, বাহরাইন, জর্ডান, ইতালি, কানাডা, ব্রুনাই, গ্রিস, মালয়েশিয়া, ইউকে, ইউএসএ, সিঙ্গাপুর ও কোরিয়াসহ মোট ২১টি দেশে ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজের সঙ্গে রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা স্থাপন করেছে। ২০১৮ সনের রেমিট্যান্স প্রবাহ পর্যালোচনা করলে দেখা যায় সবচেয়ে বেশী আসছে সৌদি আরব থেকে (৩২.৫%) এরপর যুক্তরাষ্ট্র (১৪.২৫%), ওমান (৯.০১%),সংযুক্ত আরব আমিরাত (৯.৭৫%)ও অন্যান্য দেশ।

ইসলামী ব্যাংক ছোট ছোট রেমিট্যান্স আহরণে গুরুত্ব দেয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশী ও সুবিধাভোগীর প্রায় ৪৫ ভাগই এই ব্যাংকের সেবাগ্রহীতা। বিশ্বের কিছু বৃহৎ ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার সংস্থা যেমন মানিগ্রাম, এক্সপ্রেসমানি, ট্রান্সফাস্ট, আইএমই ও ইজেড রেমিটের সঙ্গে রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা রয়েছে এ ব্যাংকের সাথে। এসবের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরিত হচ্ছে। জানা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ব বিখ্যাত ১৩৫টি এক্সচেঞ্জ হাউজ এবং ৬০০ এর অধীক ব্যাংক শাখার মাধ্যমে ১০ লাখের বেশী আউটলেটের মাধ্যমে এ ব্যাংকের রেমিট্যান্স আসছে।

সেবা বান্ধব ও বৈধ চ্যানেলে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স উৎসাহিত করতে বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, বাহরাইন ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাংকের ২২ জন প্রতিনিধি রেমিট্যান্স আহরণ ও মার্কেটিংয়ের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। তারা সেখানে প্রবাসীদের একাউন্ট খোলা ও ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে ক্যাম্প স্থাপন এবং বাংলাদেশীদের আবাসস্থলগুলোতে ব্যাপকভাবে সফর করা সহ তাদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করে থাকেন।

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসীদের অর্থ দেশে আনতে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজের সঙ্গে টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার (টিটি) ব্যবস্থা চালু করা হয়। যা এক সময় টেলেক্স ও ফ্যাক্স এবং বর্তমান সময়ের SWIFT এর মাধ্যমে আদান প্রদান হতে থাকে। প্রবাসীদের জন্য ইলামী ব্যাংক রেমিট্যান্স কার্ড ও এনআরবি সঞ্চয় বন্ড চালু করেছে। কন্ট্যাক্ট সেন্টারহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভরি এপিআই, ইএফটি, এফটিপি, এসএফটির মাধ্যমে দিনরাত প্রবাসীদের রেমিট্যান্স সেবা দিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক।

দেশের শীর্ষস্থানীয় রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংক হিসাবে বেশ কয়েক বছর থেকেই দেশী বিদেশী বিভিন্ন সংস্থার নিকট হতে পুরস্কার গ্রহণ করছে।

রেমিট্যান্স আহরণে দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যাংক হওয়া সত্ত্বেও অব্যাহতভাবে সেবার পরিধি বাড়িয়ে চলছে ব্যাংকটি। ব্যাংকের নির্বাহী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত রেমিট্যান্স প্রেরণকারী দেশগুলো সফর করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরণকে আরো উন্নত ও সহজতরকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বিদেশি বিভিন্ন ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর সহযোগিতায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। গ্রাহকদের আরো বেশি সেবা দিতে ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তারা সারাক্ষণ সক্রিয় রয়েছেন।রেমিট্যান্স সুবিধাভোগীদের জন্য প্রতিটি শাখায় রয়েছে প্রবাসী সেবা ডেস্ক। ইসলামী ব্যাংক প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার গ্রাহকের কাছে গড়ে ১৪০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স পৌঁছে দিচ্ছে।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ রেমিট্যান্স আহরণে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক হলেও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়,২০১৫ সালে পূর্ববর্তী বছরের তুলায় মাত্র ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। অন্যদিকে ২০১৬ এবং ২০১৭ সালে প্রবৃদ্ধির হার ছিল নেতিবাচক। যদিও ২০১৮ সালে প্রায় ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছে। আবার দেশের মোট রেমিট্যান্সে আইবিবিএলের অংশ ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় রেমিট্যান্সের ২০ শতাংশের বেশি ধারণ করলেও ২০১৭ সাল থেকে ২০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন,বিশ্বের বিভিন্ন রেমিট্যান্স প্রবণ দেশে এ ব্যাংকের প্রতিনিধি বাড়ানো উচিৎ সে সাথে বহির্বিশ্বে এ ব্যাংকের শাখা খোলা হলে রেমিট্যান্সের পরিমাণ আরো বাড়ানো যেতে পারে।সে সাথে আধুনিক ব্যাংকিং প্রযুক্তি বিশেষ করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্রতি গ্রাহকদেরকে অধিক আকৃষ্ট করা উচিত। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জগুলো পেশাদারিত্বের সাথে মোকাবেলা করে ইসলামী ব্যাংক তাদের শীর্ষস্থান অক্ষুন্ন রাখার মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের ভাবমূর্তি আরো বৃদ্ধি করবে এটাই সবার প্রত্যাশা।

কার্টেসি: এম. এ. মাসুম, ব্যাংকার ও অর্থনীতি বিশ্লেষক।

Leave a Reply