করোনায় কোন ব্যাংকের কতজনের মৃত্যু

0

মহামারি করোনা ভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষিত থাকাটাই এখন কঠিন হয়ে উঠছে। প্রতিদিনই দেশে নতুন করে হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। মৃত্যুর তালিকাও দিনকে দিন দীর্ঘ হচ্ছে। ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারি-বেসরকারি নানা পর্যায় থেকে সর্বাত্মক পদক্ষেপ ও প্রচেষ্টা চালানো হলেও দিনশেষে তা তেমন কার্যকর হচ্ছে না।

সারা দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ইতোমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশে বেশ কিছু চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়াও জনসেবা নিশ্চিতে করোনাকালীন সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে খ্যাত পুলিশেও আক্রান্ত প্রায় ১০ হাজার ছুঁই ছুঁই। ইতোমধ্যে ৩৭ জন পুলিশ সদস্য কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

চিকিৎসক ও পুলিশের বাইরে আরও একটি সেবাখাত রয়েছে, যা সীমিত পরিসরে হলেও করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই সচল আছে। আর সেটি হচ্ছে ব্যাংকিং খাত। বাংলাদেশে সরকার দফায় দফায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলেও অর্থনীতি ও লেনদেনর চাকা সচল রাখতে দেশের সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলো কখনোই পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

ইতোমধ্যে ব্যাংককর্মীদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যাটা হাজার ছাড়িয়েছে। এছাড়াও করোনা কেড়ে নিয়েছে এ পর্যন্ত ২৪ জন ব্যাংক কর্মীর প্রাণ।

এরমধ্যে সোনালী ব্যাংকে ৬ জন, রূপালী ব্যাংকের ২ জন, দ্য সিটি ব্যাংকের ৩ জন, এনসিসি ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখার ১ জন, উত্তরা ব্যাংকের শান্তিনগর শাখার ১ জন, জনতা ব্যাংকের ৩ জন, ন্যাশনাল ব্যাংকের ১ জন, অগ্রণী ব্যাংকের ১ জন, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ২ জন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ১ জন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১ জন, এক্সিম ব্যাংকের ১ জন ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ১ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সবশেষ গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বেসরকারি মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক ও ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম।

গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৪৭৪ জন ও মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৬১ জনে।

Leave a Reply