এক নজরে গাইবান্ধা জেলা পরিচিতি

0
99

বৌদ্ধ, হিন্দু, মোঘল, পাঠান আমলসহ ইংরেজ শাসনামলের স্মৃতি বিজড়িত আমাদের এই গাইবান্ধা জেলা। বিভিন্ন শাসনামলে নানা সংগ্রাম-বিদ্রোহ এ অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছে। গাইবান্ধা আদিতে কেমন ছিল সে বিষটি প্রথমে আলোচনা করা দরকার। বিভিন্ন সুত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য এ ব্যাপারে বেশ কিছু ধারনা দেয়। গাইবান্ধা জেলার মুল ভুখন্ড নদীর তলদেশে ছিল এবং কালক্রমে যা নদীবাহিত পলিতে ভরাট হয় এবং এতদঞ্চলে সংঘঠিত একটি শক্তিশালী ভুমিকম্পের ফলে নদী তলদেশের উত্থান ঘটে এবং স্থলভূমিতে পরিণত হয়। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদী বাহিত পলি মাটি দিয়েই গড়ে উঠেছে আজকের গাইবান্ধা।

হারুণ-উর-রশিদ প্রণীত, ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত ‘জিওগ্রাফি অব বাংলাদেশ’ গ্রন্থ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে এ ব্যাপারে কিছু ধারণা পাওয়া যায়। এতে বলা হয়েছে যে, ‘‘১৭৮৭ সালের ভয়াবহ বন্যা এবং ১৮৯৮ সালের শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে বৃহত্তর রংপুর ও বগুড়া অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতির যথেষ্ঠ পরিবর্তন ঘটে। তিস্তা নদীর গতি পথ পরিবর্তন, দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট ও গাইবান্ধার তুলশীঘাটের মধ্যবর্তী ১৫ মাইলের বিস্তীর্ণ নদী ভরাট হয়ে যাওয়া এবং করতোয়া, ঘাঘট ও কাটাখালীর মত ছোট ছোট নদীর উৎপত্তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

জিওগ্রাফি অব বাংলাদেশের এ তথ্য থেকে গাইবান্ধার আদি অঞ্চল যে নদ-নদীতে পরিপুর্ণ ছিল তার কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। এ প্রসংগে বগুড়া জেলার ইতিহাস গ্রন্থে লেখা হয়েছে যে, ‘৬৪২ খৃষ্টাব্ধে বিশ্বখ্যাত চীনাপরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ যখন পৌন্ড্র বর্ধন (বগুড়ার মহাস্থানের সাবেক নাম) এলাকা থেকে পুর্ব উত্তরে কামরুপে যান সে সময় তাকে একটি বিরাট নদী অতিক্রম করতে হয়েছিল’’। হিউয়েন সাঙ এর ভ্রমণ বৃত্তান্ত থেকে জানান যায় যে, বর্তমান গাইবান্ধা জেলা শহর ও তৎসংলগ্ন এলাকা সপ্তম শতাব্দীতে নদীগর্ভে ছিল। কেন না পৌন্ড্র বর্ধন থেকে কামরুপ যাওযার যে নদী পথের কথা হিউয়েন সাঙ এর বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, সে পথ গাইবান্ধা জেলার উপর দিয়েই পড়ে। গাইবান্ধা যে আদিতে নিন্মাঞ্চল ছিল এর স্বপক্ষে আরো সে সকল তথ্য পাওয়া যায় তাতেও এর সত্যতা মেলে। এ ব্যাপরে এ্যানসিয়েন্ট পলিটিক্যাল ডিভিশন অব ইন্ডিয়া এর বরাত দিয়ে পাবনা জেলার ইতিহাস এ বর্ণিত হয়েছে ‘খৃষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দিতে টলেমী তার বিখ্যাত জ্যোতিবির্দ্যা গ্রন্থে এতদঞ্চলের অনেক তথ্য পরিবেশন করেছেন। সেই সময় বাংলাদেশে স্থলভাগ অনেক কম ছিল। প্রাচীন মানচিত্রের উত্তরে মহাস্থানগড় (পৌন্ডবর্ধন) দক্ষিণ পুর্বে বিক্রমপুর (ঢাকা) আর চট্টগ্রাম দেখা যায়। পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর মধ্যস্থ অঞ্চলে কোন স্থান দেখা যায় না। এছাড়া উক্তগ্রন্থের মানচিত্রে যে এলাকাটিতে জলাভুমি এবং বিশাল নদী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাতে রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলার সাথে সংশ্লিষ্ট চলন বিল, বগুড়া জেলার ধুনট, সারিয়াকান্দি, গাবতলী, সোনাতলা এলাকাসহ গাইবান্ধা জেলার অধিকাংশ স্থলভাগ অন্তর্ভুক্ত হয়।

এসব তথ্য থেকে ধারনা করা যায় যে গাইবান্ধার অধিকাংশ এলাকা আদিতে জলাশয় ছিল। এছাড়া একতার সত্যতা প্রমাণের আরো যে দু’টি যুক্তি রয়েছে তার একটি হচ্ছে, জেলার বর্তমান শহর এলাকাসহ পাশ্ববর্তী অনেক এলাকাতেই কুপ, নলকুপ কিংবা পুকুর খননকালে যে কালো কাদামাটি দৃষ্টি গোচর হয়, সেই কাদামাটির ধরণ অনেকটা নদী তলদেশের মাটির মত। অপর যে যুক্তিটি এতদঞ্চলের জলাশয়ের বিষয়টিকে যুক্তিগ্রাহ্যা করে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে তা হচ্ছে, জেলর প্রবীণ লোকজন তাদের পিতামহ প্রপিতামহদের বক্তব্যের সুত্র ধরে যে তথ্য উপস্থাপন করেন তাতে জেলার আদিতে জলাশয়ের আধিক্য এবংস্থলভাগের স্বল্পতার কথারই প্রমাণ মেলে।

বর্তমান গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকার পুর্বাংশসহ সমগ্র জেলার মাটিরে ধরণ হচ্ছে নদীবাহিত পলিমাটি। নদীবাহিত পলিমাটি দ্বারা কালক্রমে ভরাট হয়ে যাওয়া নিম্নভূমি এবং ভুমিকম্পের ফলে গড়ে উঠা স্থলভূমিতেই যে গাইবান্ধা জেলা গড়ে উঠেছে সে কথা জোর দিয়েই বলা যায়। এ ব্যাপারে যে জনশ্রুতি রয়েছে, তা থেকেও এ ধারনার যথার্থতা মেলে। জনশ্রুতি রয়েছে যে আদিতে তিস্তামুখ ঘাট এর অবস্থান ছিল তুলশীঘাটের কাছে। সেখান থেকে জামালপুর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল বিশাল নদী। অপরদিকে গোড়াঘাট পর্যন্ত ১৮ মাইল দুরত্বের চলাচল ছিল একমাত্র নদীপথে। বলা হয়ে থাকে ভূমিকম্পের ফলে তুলশীঘাট ও দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট থানার নদীপথটি ভরাট হয়ে স্থলভাবে পরিণত হয়েছে। এখানে একটি বিষয়ে কিছুটা যুক্তির ছোঁয়া পাওযা যায়। সেটা হচ্ছে আমরা এখন রেলওয়ের যেফেরী ঘাটকে তিস্তামুখ ঘাট হিসাবে আখ্যায়িত করছি তা প্রকৃতপক্ষে তিস্তা নদীর মখ নয়, বরং যমুনা নদীতে অবস্থিত। রেলের ফেরীঘাটের তিস্তা মুখ ঘাট নামকরণে একথার প্রমাণ মেলে যেতিস্তা নদী যেখানে ব্রহ্মপুত্রে মিলিত হয়েছিল সেখানে রেলফেরীঘাট স্থাপিত ছিল বলেই ঘাটের নামতিস্তা মুখ ঘাট রাখা হয়েছিল। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ যে পরিবর্তিত হয়েছে তা নদীর বর্তমান অবস্থান থেকে প্রমাণিত হয়। এ প্রসংগে আরেকটি তথ্য বিষয়টির সাথে সংশ্লিষ্ট। দিনাজপুরের ইতিহাস গ্রন্থে মোশাররফ হোসেন উল্লেখ করেছেন যে, ১৮০৭ খৃষ্টাব্দের শুরুতে করতোয়া নদী বিরাট রাজা ও রাজা ভগদত্তের সীমানা নির্ধারক নদী ছিল বলে ঐতিহাসিক বুকানন তাঁর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এ তথ্য থেকে ধারণা করা যায় করতোয়া অত্যন্ত বিশাল নদী ছিল। এ নদী গাইবান্ধা ঐতিহাসিক বিরাট এলাকা থেকে কামরুপের রাজা ভগদত্তের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল বলে ঐ তথ্যে বলা হয়েছে। আদিকালের কামরুপ এলাকা ধরা হয় আসাম থেকে ময়মনসিংহ জেলা পর্যন্ত। এ থেকেই গাইবান্ধা জেলার ভূখন্ডের কোন অস্তিত্ব ধরা পড়ে না।

মোঘল সম্রাট আকবরের সভা পন্ডিত আবুল ফজল প্রণীত ‘আইন-ই-আকবরী’ নামক গ্রন্থে আকবরের শাসন পদ্ধতি ছাড়াও তাঁর শাসনমালে রাজ্যের সীমানা এবং মহালসমুহের বিবরণ পাওয়া যায়। আই-ই-আকবরী গ্রন্থে ঘোড়াঘাট সরকারের আওতাধীন যে ৮৪টি মহলের বিবরণ রয়েছে তাতে গাইবান্ধা নামে কোন মহালের নাম নেই। অবশ্য সেখানে নামান্তরে বালকা (বেলকা), বালাশবাড়ী (পলাশবাড়ী), তুলশীঘাট, সা-ঘাট (সাঘাটা), বেরী ঘোড়াঘাট, কাটাবাড়ি আলগাঁ ইত্যাদি নাম দেখা যায়। এ থেকে বলা যায় ষোড়শ শতাব্দীতেও গাইবান্ধা কোন উল্লেখযোগ্য ভুকন্ড হিসাবে পরিগণিত হয়নি। ষোড়শ শতাব্দীরও আগে থেকে ঘোড়াঘাট ছিল একটি উল্লেখযোগ্য প্রশাসনিক কেন্দ্র।

আদি ভবানীগঞ্জ থেকে গাইবান্ধা
ইংরেজি গভর্ণর জেনারেল ওয়ারেন হেষ্টিংস তার শাসনামলে রংপুর জেলা কালেক্টরেটের আওতায় ১৮৯৩ সালে ২৪ টি থানা প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমান গাইবান্ধা এলাকায় সে সময় ৩টি থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৭৮ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা এবং ১৮৮ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে সাদুল্যাপুর থানা গঠিত হয়। দু’টি থানাই প্রতিষ্ঠিত হয় ইদ্রাকপুর পরগনায়। অপর থানাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে পাতিলাদহ পরগনায় ৯৩ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে, ভবানীগঞ্জ মৌজায় ভবানীগঞ্জ থানা নামে। রংপুরের কালেক্টর ই-জি গ্লেজিযার এর ১৮৭৩ সালের রিপোর্টে এই তথ্য উল্লেখিত হয়েছে। উক্ত রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে যে, রংপুর জেলার সদর থেকে সাদুল্যাপুর থানার দুরত্ব ছিল ৩৮ মাইল, গোবিন্দগঞ্জ ৫৬ মাইল এবং ভবানীগঞ্জের দুরত্ব ছিল ৫৪ মাইল।

এক নজরে গাইবান্ধা জেলা পরিচিতি
১. জেলার পটভূমি:আজ থেকে প্রায় ৫২০০ বছর আগে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় বিরাট নামক এক রাজার রাজধানী ছিল। বিরাট রাজার প্রায় ৬০ হাজার গাভী ছিল। সেই গাভী বা গাই বান্ধার স্থান হিসেবে গাইবান্ধা নামটি এসেছে বলে লোকমুখে প্রচলিত রয়েছে। ১৯৮৪ ইং সালের ১৫ই আগস্ট বুধবার, ২রা ফাল্গুন ১৩৯০ বাংলা, ১২ই জমাদিউল আউয়াল ১৪০৪ হিজরি সনে গাইবান্ধা জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. ভৌগলিক অবস্থান:অক্ষাংশ ২৫.২৫০ উত্তর, দ্রাঘিমাংশ ৮৯.৫০০ পূর্ব, জেলার সীমানা- উত্তরে কুড়িগ্রাম ও রংপুর, দক্ষিণে বগুড়া ও জয়পুরহাট, পূর্বে জামালপুর, তিস্তা ও যমুনা নদী এবং পশ্চিমে দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলা।
৩. জনসংখ্যা: পুরুষ- ১২,৩০,৯৩৮ জন, মহিলা -১১,৯৯,৬৮৯ জন, মোট = ২৪,৩০,৬২৭ জন।
৪. শিক্ষার হার: ৫৪%
৫. উপজেলার সংখ্যা: ০৭ টি
৬. থানার সংখ্যা: ০৭ টি, যথা-গাইবান্ধা সদর, সাদুল্ল্যাপুর, গোবিন্দগঞ্জ, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও পলাশবাড়ি
৭. পৌরসভার সংখ্যা: ০৩ টি
৮. ইউনিয়নের সংখ্যা: ৮২ টি
৯. মৌজার সংখ্যা: ১১০৬ টি
১০. গ্রামের সংখ্যা: ১২৪৯ টি
১১. নদীর সংখ্যা: ৭ টি, যথা- ব্রক্ষপুত্র, যমুনা, বাঙালি, তিস্তা, করতোয়া, কাটাখালী, ঘাঘট ইত্যাদি।
১২. বিলের সংখ্যা: ৮৮ টি
১৩. মসজিদের সংখ্যা: ৩৬৫২ টি
১৪. এনজিও’র সংখ্যাঃ ৪৭ টি
১৫. খাদ্য গুদামের সংখ্যা: ১১ টি
১৬. খাদ্য গুদামের ধারণ ক্ষমতা: ৩০,২৫০ মেট্রিকটন
১৭. ব্যাংকের সংখ্যা: ৭০ টি
১৮. টেলিফোন এক্সচেঞ্জ: ৮ টি
১৯. সিনেমা হল: ২ টি
২০. ডাকঘর: ১১৭ টি

দর্শনীয় স্থান:
১. বালাসী ঘাট (ফুলছড়ি), বালাসী ঘাট প্রাকৃতিক দৃশ্য মন্ডিত একটি দর্শনীয় স্থান। যমুনা নদী এর পারে এই ঘাট অবস্থিত
২. ঘেগার বাজার মাজার (ঘেগার বাজার, সাদুল্লাপুর)
৩. গাইবান্ধা পৌর পার্ক (গাইবান্ধা)
৪. ড্রীমল্যান্ড (পলাশবাড়ী)
৫. জামালপুর শাহী মসজিদ (হযরত শাহ জামাল (রাঃ) মাজার শরীফ, জামালপুর, সাদুল্লাপুর)
৬. শিবরাম আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ছাইতান তলা, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা)
৭. রংপুর চিনিকল (মহিমাগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা)
৮. বর্ধন কুঠি (গোবিন্দগঞ্জ)
৯. মীরের বাগান, ঐতিহাসিক শাহ সুলতান গাজীর মসজিদ (দাড়িয়াপুর, গাইবান্ধা)
১০. শাহ সুলতান গাজীর মসজিদ
১১. প্রাচীন মাস্তা মসজিদ, (গোবিন্দগঞ্জ)
১২. নলডাঙ্গার জমিদার বাড়ি, (সাদুল্লাপুর)
১৩. ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার, (ফুলছড়ি)
১৪. ড্রীম সিটি পার্ক, (সাঘাটা)
১৫. এসকেএস ইন, (গাইবান্ধা)
১৬. রাজা বিরাট প্রাসাদ, (গোবিন্দগঞ্জ)
১৭. পাকড়িয়া বিল, (সাদুল্লাপুর)

বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব:
১. খাঁন বাহাদুর আব্দুল মজিদ
২. টিআইএম নুরুন্নবী চৌধুরী
৩. শাহ্ আব্দুল হামিদ (স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্পীকার)
৪. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (সাহিত্যিক)
৫. আবু হোসেন সরকার (পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশীক সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন)
৬. মাহাবুব এলাহী রন্জু, বীর প্রতীক (মহান মুক্তিযুদ্ধে গাইবান্ধা এলাকার গৌরব রন্জু কম্পানীর কমান্ডার)
৭. প্রফেসর ড. এম.আর সরকার (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য)
৮. বাবু শচীন চাকী (খেলাধুলা সংগঠক)
৯. শারমিন আক্তার সুপ্ত (বাংলাদেশী মহিলা ক্রিকেটার)
১০. ফারজানা হক (বাংলাদেশী মহিলা ক্রিকেটার)
১১. পানু পাল (নৃত্যশিল্পি, নাট্যকার)
১২. মুক্তিহরণ সরকার (কবি, ছড়াকার)
১৩. আবদুল হাফিজ
১৪. গোবিন্দ লাল দাস
১৫. বিশিষ্ট অভিনেতা ডাঃ এজাজুল ইসলাম
১৬. আডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া (মাননীয় ডিপুটি স্পিকার)
১৭. ডঃ মিজানুর রহমান (মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান)

শিক্ষা বিভাগ:
১. মহাবিদ্যালয়ের সংখ্যা: ৭৫ টি
২. উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা: ৩৫৩ টি
৩. সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা: ৭৩৭ টি
৪. বেসরকারী রেজিঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের সংখ্যা: ৫১৪ টি
৫. মাদরাসার সংখ্যা: ২৪০ টি
৬. এবতেদায়ী মাদরাসার সংখ্যা: ৩৫১ টি

কৃষি বিভাগ:
১. মোট জমির পরিমাণ: ২১৭০৪০ হেঃ
২. আবাদী জমির পরিমাণ: ১৬০৩৯৭ হেঃ
৩. সেচযোগ্য জমির পরিমাণ: ১৩৯৬৪০ হেঃ
৪. অনাবাদী জমির পরিমাণ: ৫৬৬৪৩ হেঃ
৫. গভীর নলকূপের সংখ্যা: ৩৪৭ টি
৬. অগভীর নলকূপের সংখ্যা: ৪১,২৬৬ টি
৭. শক্তিচালিত পাম্পের সংখ্যা: ৮৩ টি

রাজস্ব বিভাগ:
১. উপজেলা ভূমি অফিস: ৭ টি
২. ইউনিয়ন ভূমি অফিস: ৬৩ টি
৩. বন্দোবস্তযোগ্য খাস জমির পরিমাণ (কৃষি): ৪,১১৮.৯৯ একর
৪. বন্দোবস্তযোগ্য খাস জমির পরিমাণ (অকৃষি): ১৮.২৪ একর
৫. আদর্শ গ্রামের সংখ্যা: ২৩ টি
৬. আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংখ্যা: ৫ টি
৭. আবাসন প্রকল্প: ৫ টি
৮. দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প: ১ টি (উপকারভোগী-১০০০)
৯. সায়রাত মহালের সংখ্যা: ৩০১ টি
১০. হাট-বাজারের সংখ্যা: ১০৪ টি
১১. খাস পুকুরের সংখ্যা: ৭২ টি

স্বাস্থ্য বিভাগ:
১. জেনারেল হাসপাতাল: ১ টি
২. সরকারী হাসপাতাল: ৬ টি
৩. স্যানিটেশন কভারেজ: ৮৯%
৪. উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ৬ টি
৫. মাতৃসদন ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র: ১ টি
৬. টিবি ক্লিনিক: ১ টি

শিল্প সংক্রান্ত:
১. কুটির শিল্প: ১,৪৭,১৯২ টি
২. ক্ষুদ্র শিল্প: ১,৬২১ টি
৩. মাঝারী শিল্প: ২ টি
৪. বৃহৎ শিল্প: ১ টি

পশুসম্পদ বিভাগ:
১. পশু চিকিৎসালয়: ৭ টি
২. কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র: ১৮ টি
৩. পশু কল্যাণ কেন্দ্র: ১৮ টি
৪. গবাদি পশু খামার: ৬৬৯ টি
৫. মুরগীর খামার: ৫৯৬ টি
৬. দুগ্ধ খামার: ৬৬৯ টি

যোগাযোগ ব্যবস্থা:
১. পাকা রাস্তা: ৬৮৩.৬২ কি. মি.
২. কাঁচা রাস্তা: ২১৭৮.৭৩ কি. মি.
৩. এইচবিবি রাস্তা: ১৭৬.০৫ কি. মি.
৪. রেলপথ: ৫৬ কি. মি.
৫. হাইওয়ে: ৩২.৮ কি. মি.

মৎস্য বিভাগ:
১. মৎস্য খামার: ৬৪ টি
২. মৎস্য পোনা উৎপাদন খামার: ২৩৩ টি
৩. মৎস্য চাষের আওতাধীন পুকুরের সংখ্যা: ২৫,৩৮৯ টি

বিদ্যুৎ বিভাগ:
১. গ্রীড সাব স্টেশন: ১ টি
২. ৩৩ কেভি লাইন(পিডিবি): ১৯ কি. মি.
৩. ১১ কেভি লাইনঃ ২১৫ কি. মি.
৪. ০৪ কেভি লাইন: ৭০০ কি. মি.
৫. পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি: ১ টি

অন্যান্য বিভাগ:
১. বাফার গুদাম: ১ টি
২. ডাকবাংলো: ৯ টি
৩. হেলিপ্যাডের সংখ্যা: ৭ টি
৪. রেলওয়ে স্টেশন: ১৪ টি
৫. কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি: ১২ টি
৬. কেন্দ্রীয় সবরায় ব্যাংক: ১ টি
৭. দৈনিক পত্রিকা: ৪ টি (দৈনিক ঘাঘট, মাধুকর, আজকের জনগণ, জন সংকেত)
৮. সাপ্তাহিক পত্রিকা: ৯ টি
৯. পাক্ষিক পত্রিকা: ১ টি

তথ্যসুত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিভিন্ন ব্লগ
তথ্য সংগ্রহেঃ মোহাম্মদ শামসুদ্দীন আকন্দ, ব্যাংকার।

Leave a Reply