চতুর্থ শিল্প বিপ্লব: ব্যাংক খাতের চ্যালেঞ্জ ও প্রস্তুতি

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বিশ্বের দ্বারপ্রান্তে। এর ভিত্তি হিসাবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনে, বিপণনে ও ভোগের ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হচ্ছে আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলমান উৎপাদন ও শিল্পব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয় সমসাময়িক সংস্করণ। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী আলোচিত নানা বিষয়গুলোর মধ্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বিষয়টি একটি অন্যতম অনুষজ্ঞ। রোবটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানো টেকনোলজি, কোয়ান্টাম, কম্পিউটিং, ব্যায়োটেকনোলজি, ইন্টারনেট অব থিংস, থ্রিডি প্রিন্টিং, সম্পূর্ণ স্বশাসিত যানবাহন ও উদীয়মান প্রযুক্তির যুগান্তকারী যুগ হিসেবে চিহ্নিত এ বিপ্লব।

আরও দেখুন:
এটিএম ছেড়ে সিডিএম/ সিআরএমে ঝুঁকছেন গ্রাহক
কর্মীদের প্রেষণায় যা কিছু করা প্রয়োজন

ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা খাতেও প্রচলিত লেনদেন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির হাত ধরে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। নগদ লেনদেনের বদলে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা প্রবর্তন হয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মানুষের চিন্তা জগতে পণ্য উৎপাদন ও সেবা প্রদানে পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। পৃথিবীর গতি প্রকৃতি ও মানুষের জীবন ধারাকে বদলে দিচ্ছে। বিশ্বের রাষ্ট্র নায়কদের সক্ষমতাকে বড় ধরনের পরীক্ষার সম্মুখীন করছে।

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

আঠারো শতকের শেষার্ধে ইংল্যান্ডের যে শিল্প উৎপাদনের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা হয়, সেটি হচ্ছে শিল্প বিপ্লব। শিল্প বিপ্লবের ফলে ইংল্যান্ড দেশটি বিশ্বের প্রথম শিল্পোন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়। তাই কখনও কখনও ইংল্যান্ডকে ‘পৃথিবীর কারখানা’ বলা হতো।

১৭ শতাব্দীতে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের মাধ্যমে হস্তচালিত শিল্প ব্যবস্থাকে মেশিনচালিত পদ্ধতিতে রূপান্তরের মাধ্যমে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল। ইউরোপ ও আমেরিকায় বস্ত্র শিল্প, লৌহ শিল্প ও কৃষি শিল্পে এর প্রভাব পড়েছিল। তৎকালীন ব্রিটিশ শিল্পে ও এর প্রভাব পড়তে শুরু করে।

দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব ও প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল ১৮৭০ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে। এ কালে জ্বালানির উৎসগুলো বিদ্যুৎ, তৈল, গ্যাস ইত্যাদি উৎপাদিত হয়। রেলপথ ও টেলিগ্রাফ নেটওয়ার্কের ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। মানুষ ও তার চিন্তাভাবনার দ্রুত স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি হয়। ক্রমবর্ধমান বৈদ্যতীকরণে কারখানাগুলোয় আধুনিক উৎপাদন লাইনের বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়।

বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পবরর্তী সময় কম্পিউটার প্রযুক্তি, সেমি কন্ডাক্টর, মাইক্রোচিপস ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ও ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রপাতি ও আনবিক শক্তির উদ্ভাবন নিয়ে তৃতীয় শিল্প বিপ্লব। এ সময়ে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, ঔষধ শিল্প ও ব্যায়োটেকনোলজির ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন হয়।

ইন্টারনেট, মোবাইল যোগাযোগ এ শিল্প বিপ্লবের ফল। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বা ইন্ডাস্ট্রি-৪.০০ হচ্ছে আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার। দ্রব্য উৎপাদনের ও সেবা প্রদানে বিপণনে ও ভোগের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। শুধু যান্ত্রিক কৌশর নয়; কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চতর পর্যায়ের তথ্যপ্রযুক্তি, রোবটিক্স ও কম্পিউটারের উচ্চতর প্রযুক্তির ব্যবহার এ বিপ্লবের অন্যতম অনুষঙ্গ। এতে উৎপাদনের জন্য মানুষকে যন্ত্র চালানোর পরিবর্তে যন্ত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও নিখুঁত ও নির্ভুল কার্য সম্পাদন করার ক্ষেত্র তৈরি করবে।

চিকিৎসায়, যোগাযোগ, উৎপাদন, কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে ও দৃশ্য মান প্রভাব অধিকতর জোরদার হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মানুষের জীবন ধারার ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসছে। উন্নয়ন ও বাজার ব্যবস্থাপনার অবারিত সুযোগ তৈরির আসা জাগিয়েই চলেছে। প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থার সৃষ্টি, কর্মঘণ্টা হ্রাস এ প্রযুক্তি সহজতর সক্ষমতা। তবে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত ঘাটতির কারণে উন্নয়নশীল দেশ ও উন্নয়নশীলের পথে উত্তরণের দেশ সমূহ নানা জটিলতা ও বেকারত্বের মতো সমস্যায় পড়তে পারে।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের তথ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দক্ষতা, ঘাটতির কারণে বিশ্বের প্রায় ৮০ কোটি মানুষ চাকরি হারাতে পারে। এ সময়ে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দেশ-বিদেশে চাকরিরত প্রায় ৫৭ লাখ অদক্ষ শ্রমিক এই প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ব্যর্থতার কারণে বেকার হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে কভিড-১৯-এর সময়েও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখী গতি লক্ষ করা গেলেও বিশ্ব প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে ও বেকারত্ব হ্রাস, বৈষম্য ও দুর্নীতি দূর করতে এবং ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা আনয়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত ২০২০-২১ অর্থবছর শেষে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৯১ মার্কিন ডলার। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৩৮ টাকা। এর আগে সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৫৫৪ ডলার। চূড়ান্ত হিসাবে এ আয় ৩৭ ডলার বেড়েছে। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। সাময়িক হিসাবে যা ছিল ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, মানুষের আয় বাড়লেও এ আয়ের সুফল প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছায়নি।

অর্থনীতিবিদের মতে, এর কারণ হলো বৈষম্য। আমাদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে ঠিকই; তবে তাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি রয়েছে। ঘাটতি রয়েছে ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন খাতেও।

মানুষের দৈনন্দিন পথচলায় ব্যাংক ও আর্থিক খাত গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সময়কালে এ খাতের প্রযুক্তিভিত্তিক উন্নয়নে গ্রাহকদের প্রযুক্তির সঙ্গে সুপরিচিত করাও একটি চ্যালেঞ্জ। উন্নত ব্যাংকিং সেবা ও ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য শিক্ষিত ও জনশক্তি তৈরি করাও চ্যালেঞ্জ। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রসার লাভ করলে শ্রমশক্তির চাহিদা যে হ্রাস পাবে শুধু তা নয় বরং অদক্ষ শ্রমিকদের জন্য বর্তমান বিদ্যমান পেশাগুলোয় চাহিদা দ্রুত কমে আসবে।

অন্যদিকে উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন এমন পেশায় চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। তাই দ্রুত ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে কারিগরি জ্ঞান সম্পন্ন জনশক্তির চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে ব্যাংকিং খাতের ঋণ আদায়ের গতি ও খেলাপি গ্রাহকদের থেকে অর্থ আদায়ের জন্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের প্রযুক্তি বৈষম্য দূর করতে হবে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, ভবিষ্যতে মানুষকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন যন্ত্রের সঙ্গে সহাবস্থান করতে হবে। ফলে মানুষের কর্মক্ষেত্র সংকুচিত হবে, অসমতা বৃদ্ধি পাবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোয় বৈদেশিক বিনিয়োগ কমবে ও প্রযুক্তি জ্ঞানের ক্ষেত্রে বৈষম্য বাড়বে। এ জন্য আমাদের কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে তথ্যপ্রযুক্তির আদলে তৈরি করতে হবে। অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে জটিলতা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

র্তমানে ব্যাংক ও আর্থিক সেবা খাতে প্রযুক্তির হাত ধরে বৈপ্লবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। লেনদেন করতে এখন ব্যাংকে সশরীরে না গিয়ে ঘরে বসে স্মার্টফোনেই কাজ করা যায়। বর্তমানে চালু হচ্ছে ওপেন ব্যাংকিং অর্থাৎ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই)। ভোক্তারা একটি অ্যাকাউন্ট থেকেই ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। ডিজিটাল টেকনোলজির মাধ্যমে (ডিএলটি) ব্লক চেইন নেটওয়ার্ক ভোক্তাদের কাছে আস্থা ও স্বচ্ছতা তৈরি করেছে।

তবে ব্যাংকিং পরিষেবায় উন্নতি করতেও ভোক্তাদের আরও দ্রুত সেবা দিতে এবং এ খাতের দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করতে, ঋণ আদায়ের গতি ফিরিয়ে আনতে তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। ব্যাংক খাতে সঠিক ডকুমেনটেশন, ফেইক ডকুমেন্ট ডিটেক এবং ডকুমেন্টস প্রিজারভেশনের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তদারকি বাড়ানো উচিত। আমাদের ভূমি ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন ডিজিটালাইস করতে হবে। নামজারি, রেজিস্টেশন, খাজনা প্রদান ইত্যাদির ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার জোরদার করা উচিত। যার ফলে ব্যাংক বিনিয়োগ ও মর্গেজকৃত সম্পত্তি সার্চিং ও যাচাই-বাছাইয়ে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে নতুন সম্ভাবনার বিপরীতে ব্যাংক খাতে টানা ঝুঁকি ও প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে। পাসওয়ার্ড হেকিং, এটিএম বুথ থেকে অর্থ চুরি রোধসহ দেশীয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফান্ড হস্তান্তরের বিষয়গুলো গুরুত্বসহ দেখা উচিত। অর্থ কর্মকাণ্ডে ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল রূপান্তর হচ্ছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বুনিয়াদ।

ব্যাংক খাতে ডিজিটাল রূপান্তরের সঙ্গে গ্রাহকদের অন্তর্ভুক্তি করানোসহ সমাজকে প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে অভ্যস্ত করা, অদক্ষ শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন জনশক্তি প্রাপ্তি, শিল্প বিপ্লবের সুফল পাওয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জব পলিসি, প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নিরাপত্তার জন্য নিয়মনীতির সংস্কার করতে হবে।

প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে মানুষের কর্মক্ষমতা বাড়ানো যায়, তার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। বর্তমানে বাংলাদেশে তরুণের সংখ্যা ৫ কোটি; যা মোট জনশক্তির ৩০ শতাংশের বেশি। আগামী ৩০ বছরে এ তরুণরা উৎপাদনশীল খাতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল ভোগের জন্য বড় হাতিয়ার। ব্যাংকিং বা আর্থিক খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার (ফিনটেক) ভবিষ্যতে প্রথাগত ব্যাংকিং পরিষেবাকে অনেকটা সংকুচিত করে দেবে। ছোট আকারের ফিনটেক প্রতিষ্ঠান অনেক কম খরচে বেশি দক্ষতার সঙ্গে আর্থিক সেবা দিতে সমর্থ হবে। ডিজিটাল যুগে কার্যকর প্রযুক্তি পণ্য ও সেবার চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সূক্ষ্ম সমন্বয় করতে সক্ষম হবে।

প্রযুক্তির আবিষ্কারের সঙ্গে ব্যাংক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে। পণ্য ও সেবা উৎপাদন বণ্টনে ব্যয় অভাবনীয়ভাবে হ্রাস পাবে। কারণ মানুষকে সহায়তা করবে মেশিন। স্বল্প সময়ে অধিক উৎপাদন করা সহজ হবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে। যেসব ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তিকে যত দ্রুত কাজে লাগাতে পারবে, তারা তত দ্রুত এর সুফল ভোগ করবে।

ই-মেইল- main706@gmail.com

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button