ফরেক্স ব্যবসা যেভাবে অগ্রসর হবেনঃ পর্ব-৬ ফরেক্স কেন করবেন? ও ফরেক্স বনাম শেয়ার মার্কেট

0
112

টিআইবিঃ আসসালামু আলাইকুম। বন্ধুরা আশা করছি সবাই আল্লাহর অশেষ রহমতে ভাল আছেন। আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম বর্তমান সময়ের বহুল আলোচিত ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে। ফরেক্স বিজনেসের খুঁটি নাটি বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক ২০ পর্বে ফরেক্স ট্রেডিং এর A-Z আলোচনা করা হচ্ছে। এই ধারাবাহিক পর্বগুলোতে ফরেক্স ব্যবসায় কিভাবে অগ্রসর হবেন তার বিস্তারিত বর্ননা দেয়ার চেষ্টা করবো। আমার এ লেখাগুলো বিভিন্ন ব্লগ থেকে সংগ্রহ করা। কথা না বাড়িয়ে চলুন ৬ষ্ট পর্বে।

ফরেক্স ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য কী এবং কেনো ব্যবসায়ে নামবেন তা জেনে নেয়া যাক:
০১. এতে কোনো ক্লিয়ারিং ফি, এক্সচেঞ্জ ফি, সরকারি ফি এবং সর্বোপরি কোনোরকমের ব্রোকারেজ ফি দিতে হয় না;
০২. মার্কেটে লেনদেনের মাঝে কোনো মধ্যস্থতাকারী নেই;
০৩. লটের আকারের কোনো নির্দিষ্টতা নেই;
০৪. রিটেইল ট্রানজেকশন কস্ট বা বিড/আস্ক স্প্রেড সাধারণত বেশ কম, যা ০.১ শতাংশের নিচে থাকে। বড় ডিলারদের ক্ষেত্রে তা ০.০৭% পর্যন্ত হতে পারে;
০৫. সপ্তাহের ৫ দিনে ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকে এ বাজার;
০৬. মার্কেট এত বড় যে, কোনো সেন্ট্রাল ব্যাংকেরও ক্ষমতা নেই ফরেক্স মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করার;
০৭. লেভারেজ বা লোন পাওয়ার সুবিধা;
০৮. বাজারে বেশ তারল্য বিদ্যমান;
০৯. নতুন ও কম পুঁজির ট্রেডারদের জন্য মাইক্রো ও মিনি ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন, যা ১ ডলার থেকে শুরু এবং
১০. অ্যাকাউন্ট খোলা, সফটওয়্যার, পরামর্শ ও সাহায্য সবকিছুই সহজলভ্য ও তার জন্য কোনো মূল্য দিতে হয় না।

ফরেক্স বনাম শেয়ার মার্কেট
নিউইয়র্ক স্টক মার্কেটের কথা চিন্তা করলে দেখা যায়, সেখানে স্টকের সংখ্যা সাড়ে ৪ হাজার। এত স্টকের ওপর নজর রাখা এবং সেগুলো নিয়ে সমীক্ষা চালিয়ে কতটা ঝামেলার কাজ, তা সহজেই অনুমেয়। ফরেক্স মার্কেটেও রয়েছে কয়েক ডজন কারেন্সি পেয়ার, কিন্তু বেশি লেনদেন হয়ে থাকে প্রধান কারেন্সি পেয়ারগুলোর মধ্যে। তাই ৪-৫টি প্রধান কারেন্সি পেয়ারের দিকে নজর রাখার ব্যাপারটা খুব যে কঠিন তা কিন্তু নয়। স্টক মার্কেটের তুলনায় ফরেক্স অনেক বড় ও অনেক বেশি সুবিধাজনক।

ফরেক্স মার্কেটের গঠন
স্টক মার্কেটের একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান থাকে। স্টক মার্কেট একটি কেন্দ্রায়িত বাজার। কিন্তু ফরেক্স মার্কেট বিকেন্দ্রায়িত বাজার। এর কোনো কেন্দ্রীয় বাজার নেই। ফরেক্স মার্কেট হায়ারাকি হচ্ছে- প্রধান ব্যাংকগুলো ইলেকট্রনিক ব্রোকিং সার্ভিসে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যাংকগুলো রিটেইল মার্কেট মেকারস এবং কমার্শিয়াল কোম্পানিগুলো রিটেইল ট্রেডারস। মার্কেটের খেলোয়াড় হিসেবে কাজ করে বড় আকারের ব্যাংকগুলো, কমার্শিয়াল কোম্পানি, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং একক বিনিয়োগকারী।

চলবে………………………………।

Leave a Reply