ফরেক্স ট্রেডিং

ফরেক্স ব্যবসা যেভাবে অগ্রসর হবেনঃ পর্ব-১৫ ফরেক্স অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম

টিআইবিঃ আসসালামু আলাইকুম। বন্ধুরা আশা করছি সবাই আল্লাহর অশেষ রহমতে ভাল আছেন। আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম বর্তমান সময়ের বহুল আলোচিত ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে। ফরেক্স বিজনেসের খুঁটি নাটি বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক ২০ পর্বে ফরেক্স ট্রেডিং এর A-Z আলোচনা করা হচ্ছে। এই ধারাবাহিক পর্বগুলোতে ফরেক্স ব্যবসায় কিভাবে অগ্রসর হবেন তার বিস্তারিত বর্ননা দেয়ার চেষ্টা করবো। আমার এ লেখাগুলো বিভিন্ন ব্লগ থেকে সংগ্রহ করা। কথা না বাড়িয়ে চলুন ১৫তম পর্বে।

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

ফরেক্স শিখবেন কিভাবে?
আমাদের দেশে ফরেক্স শেখার ভালো কোনো কোচিং বা প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি। ইন্টারনেটে ফোরাম, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ব্লগগুলোতে নজর রাখলেই আপনার জ্ঞানের ভান্ডার সমৃদ্ধ হবে। আলাদা কোচিং করে টাকা ও সময় নষ্ট করার কোনো অর্থ হয় না। পত্রপত্রিকায় যেসব ফরেক্স শেখানোর বিজ্ঞাপন দেয়া হয়, সেগুলোর শিক্ষার মান কেমন, তা সঠিক করে বলা সম্ভব নয়। কারণ, ফরেক্স শেখার জন্য নিজেই নিজের শিক্ষক হতে হবে প্রথমে, মনে প্রাণে পণ করতে হবে আপনি এ ব্যবসায় সফল হয়েই ছাড়বেন। এরপর লাগবে সঠিক দিক-নির্দেশনা, এরপর ফরেক্স নিয়ে স্টাডি ও অ্যানালাইসিস, আরো লাগবে দক্ষ ট্রেডারদের সাথে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করা। সব শেষে থাকতে হবে কঠোর পরিশ্রম করার ও ধৈর্য ধরে রাখতে পারার মনোভাব। ফরেক্স শেখানোর জন্য বেশ কিছু বাংলা ওয়েবসাইট ও ব্লগ খুঁজলেই পাবেন। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে: www.bdpips.comwww.outsourcingbd.com। বিডিপিপস বাংলাদেশের প্রথম ফরেক্স ফোরাম ও ফরেক্স স্কুল, যেখানে পর্যায়ক্রমে ফরেক্সের ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। ইংরেজি ওয়েবসাইটের মধ্যে ফরেক্স শেখার বেশ ভালো একটি সাইট হচ্ছে: www.babypips.com

ফরেক্স অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম
এটি অনেকটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার মতো ব্যাপার। ব্রোকার বাছাই করে তাদের কোম্পানিতে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যে ফর্ম পাবেন তাতে আপনার নাম, ঠিকানা, বয়স, ই-মেইল অ্যাড্রেস, ফোন নাম্বারসহ আরো কিছু তথ্য দিতে হবে। কিছু ব্যতিক্রম ব্যাপারের মধ্যে রয়েছে :

০১. সোয়াপ (Swap):
এটি হচ্ছে সুদ। বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হারের ওপরে ভিত্তি করে আপনার ট্রেডে আপনাকে সুদ দেয়া হবে বা আপনার কাছ থেকে নেয়া হবে। মুসলমানদের জন্য সুদ নেয়া বা দেয়া হারাম। তাই যারা সুদের কারবার করতে না চান তারা এ অপশন সিলেক্ট করবেন না।

০২. লেভারেজ:
আগেই বলা হয়েছে এ ব্যাপারে। কত অনুপাতে লোন নিতে চান, তা এখানে নির্ধারণ করে দিতে হয়। আপনার পুঁজি বেশি হলে লেভারেজ না নেয়াই ভালো। পুঁজি কম হলে লেভারেজ নিতে পারেন। তবে বেশি নেবেন না। ১:৫০-১:২০০-এর চেয়ে বেশি লেভারেজ নেয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

০৩. অ্যাকাউন্ট কারেন্সি:
কোন কারেন্সিতে আপনি অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করবেন তা সিলেক্ট করতে হবে। এখানে মার্কিন ডলার বা ইউএস ডলার সিলেক্ট করাটাই ভালো এবং

০৪. অ্যাকাউন্ট টাইপ:
আপনার পুঁজির ওপরে নির্ভর করবে আপনার অ্যাকাউন্টের আকার কিরকম হবে। এটি মাইক্রো, মিনি ও স্ট্যান্ডার্ড এ ধরনের ভাগে বিভক্ত থাকতে পারে।

কিছু অ্যাকাউন্ট শুধু মেইল ভেরিফিকেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এরা ভেরিফাই করার জন্য আরো কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে। তাই আপনাকে আপনার পাসপোর্ট নাম্বার, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং ঠিকানা ভেরিফিকেশন করার জন্য বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানি বা মোবাইল/ ইন্টারনেটের বিল অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্টের স্ক্যান করা কপিও দেয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন না করে ডিপোজিট করা উচিত নয়।

চলবে……..।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button