জাল নোট সরবরাহে জড়িত কর্মকর্তা/ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে সার্কুলার

0

বাংলাদেশ ব্যাংক
ডিপার্টমেন্ট অফ কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট
জাল ও অচোল নোট প্রতিরোধ ও পর্যালোচনা কোষ।
সুত্রঃ ডিসিএম (জালনোট): ১০(সভা)/২০২০-৫৯৭
তারিখঃ ০৯/০২/২০২০

ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী
বাংলাদেশে কর্মরত সকল তফসিলি ব্যাংক।

প্রিয় মহোদয়,

গ্রাহককে জাল নোট সরবরাহের ক্ষেত্রে জড়িত (যদি থাকে) কর্মকর্তা/ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে।

উপর্যুক্ত বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করা যাচ্ছে।

০২। সাম্প্রতিক সময়ে কতিপয় তফসিলি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রাহককে নগদ অর্থ লেনদেনের সময় জাল নোট সরবরাহ করা হচ্ছে বা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে মর্মে ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকদের নিকট হতে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

০৩। এমতাবস্থায়, গ্রাহককে জাল নোট সরবরাহের ক্ষেত্রে আপনাদের ব্যাংকের কোন কর্মকর্তা বা কর্মকর্তাগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে যথাযথ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতঃ অত্র বিভাগকে অবহিত করার জন্য পরামর্শ দেয়া হলো।

০৪। উল্লেখ্য যে, দন্ডবিধি-১৮৬০ এর ৪৮৯(ক)-(ঘ) ধারা মোতাবেক জাল নোট প্রস্তুত, সংরক্ষণ, ক্রয়-বিক্রয় ও সরঞ্জামাদি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে জরিমানাসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং জল নোট সংরক্ষণ করার জন্য অপরাধীকে জরিমানাসহ সাত বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া যাবে মর্মে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ২৫(ক) ধারায় জাল নোট প্রস্তুত, ক্রয়-বিক্রয়, সংরক্ষণ, পাচার এবং জাল নোট প্রস্তুতের সরঞ্জামাদি প্রস্তুত, ক্রয়-বিক্রয়, ব্যবহার, দখলে রাখা ইত্যাদি কাজগুলো অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করতঃ সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

আপনার বিশ্বস্ত,
মোঃ শহিদুল আলম
যুগ্ম পরিচালক।