রফতানি আয় একদিনের মধ্যে নগদায়নের নির্দেশ

এক ব্যাংকের মাধ্যমে রপ্তানি করা বিলের অর্থ অন্য ব্যাংকে এলে ওই বৈদেশিক মুদ্রা রপ্তানিকারকের ব্যাংকে স্থানান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রায় রপ্তানি আয় আসার পর এক দিনের মধ্যে তা নগদায়নেরও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রোববার (২৯ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠিয়েছে।

আরও দেখুন:
বিশেষ প্রয়োজনে বিদেশ যেতে পারবেন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও
রেপো সুদহার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক
ডলারের নতুন দর নির্ধারণ করে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য ব্যাংকের মাধ্যমে রপ্তানি আয় প্রত্যাবাসন হলে, কিংবা অন্য ব্যাংকের বা অফশোর ব্যাংকিং অপারেশনের মাধ্যমে রপ্তানি বিল বৈদেশিক মুদ্রায় ডিসকাউন্টিং (নির্দিষ্ট কমিশন নিয়ে রপ্তানি আদেশের বিপরীতে সৃষ্ট বিলের বিপরীতে অর্থায়ন) করা হলে ওই বৈদেশিক মুদ্রা রপ্তানিকারকের ব্যাংকে স্থানান্তর করতে হবে। একই ব্যবস্থা বায়িং এজেন্টের মাধ্যমে রপ্তানি মূল্য প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।

রপ্তানি আয়ের নগদায়নযোগ্য অংশ এক কর্মদিবসের মধ্যে রপ্তানিকারকের ব্যাংক টাকায় রূপান্তর করে রপ্তানিকারকের হিসাবে জমা করতে সার্কুলারে বলা হয়েছে।

অর্থাৎ রপ্তানি বিলের অর্থ যে ব্যাংকেই আসুক না কেন রপ্তানি করা ব্যাংককে বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে দিতে হবে। ব্যাংক ওই অর্থ এক দিনের মধ্যে অর্থ নগদায়ন করে রপ্তানিকারকদের হিসাবে জমা করবে।

অপর এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেনের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার ‘নস্ট্রো হিসাব’-এ রপ্তানি আয় জমা হওয়ার এক কর্মদিবসের মধ্যে নগদায়ন এবং সিঙ্গেলপুলে জমার কাজ করতে হবে।

রপ্তানি আয় দ্বারা ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের দায় নির্বাহের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অংশ সিঙ্গেলপুলে সংরক্ষণের আগে স্থানীয় মূল্য সংযোজন অংশ নগদায়নের জন্য বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনার ফলে রপ্তানিকারকের ব্যাংকের মাধ্যমে রপ্তানি আয় প্রত্যাবাসন এবং তা স্বল্প সময়ে নগদায়ন করা যাবে। এতে রপ্তানিকারকের চলতি মূলধন চাহিদা সহজে নিষ্পত্তি করা সহজ হবে।

এ সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button