মহামারিতে মুনাফা করে দেখাল এক্সিম ব্যাংক

0

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে চলতি বছরের এপ্রিল-জুন সময়ে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে এক্সিম ব্যাংকের। মহামারির মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা যেন ফুলেফেঁপে উঠেছে। আগের বছরের তুলনায় কোম্পানিটির মুনাফা বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়েছে। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভা শেষে প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস বাংলাদেশে প্রথম আঘাত হানে গত ৮ মার্চ। করোনার প্রকোপ ঠেকাতে ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ফলে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। সাধারণ ছুটির মধ্যে সীমিত আকারে ব্যাংক খোলা থাকলেও করোনার ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি বেশিরভাগ ব্যাংক। ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে আসায় এপ্রিল-জুন এই তিন মাসে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের মুনাফায় ধাক্কা লেগেছে। তবে এক্সিম ব্যাংকের মুনাফা ভিন্ন তথ্য দিচ্ছে। নেতিবাচক প্রভাব পড়া তো দূরের কথা করোনার প্রকোপের মধ্যে উল্টো ব্যাংকটির মুনাফা ফুলেফেঁপে উঠেছে।

ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৯৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩১ পয়সা। সে হিসাবে আগের বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি মুনাফা বেড়েছে ৬৫ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকের পাশাপাশি ছয় মাসের হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৬ পয়সা। মুনাফার পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্যও আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।

চলতি বছরের জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৬৭ পয়সা, যা ২০১৯ সালের জুন শেষে ছিল ২০ টাকা ৫৪ পয়সা। এদিকে অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে শেয়ারপ্রতি অপারিটিং ক্যাশ ফ্লো দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ১৪ টাকা ৫২ পয়সা। ২০১৯ সালের সালের জানুয়ারি-জুন সময়ে শেয়ার প্রতি অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ছিল ৪ টাকা ৩৬ পয়সা।

Leave a Reply