ব্যাংকে প্রণোদনা ভাতায় ঠকানো হচ্ছে কর্মচারীদের

6

করোনা দুর্যোগের সময় সশরীরে অফিসে উপস্থিত থেকে ১০ দিন কাজ করলে বিশেষ প্রণোদনা ভাতা দেওয়ার নির্দেশনা ব্যাংকের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে, এই ক্যাটাগরির কর্মচারীদের রোস্টারিং করে ১০ দিন কাজ করানো হলেও ভাতার পরিমাণ কম নির্ধারণ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন অভিযোগ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ চেয়ে কর্মচারীদের পক্ষে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে। ওই পোস্টের সূত্র ধরে কয়েকটি ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। কর্মচারীরা বলছেন, প্রণোদনা ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে অবমূল্যায়নের শিকার তাঁরা। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনাও মানা হচ্ছে না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাধারণ ছুটির মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন বলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ ধরনের ভাতা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া। স্থায়ী অস্থায়ী সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এই সুবিধা পাবেন এবং কে কত পাবেন, সেটিও নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে। কোনো ব্যাংক যদি নির্দেশনা অমান্য করে এবং সেটি যদি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে আসে তাহলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চলমান সাধারণ ছুটির সময় যেসব ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী সশরীরে অফিস করছেন তাঁদের জন্য গত ১৩ এপ্রিল বিশেষ প্রণোদনা ভাতা ঘোষণা করে সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ওই সার্কুলারে বলা হয়, এ সময়ে সশরীরে ১০ দিন অফিসে গেলেই ব্যাংকের কর্মীরা এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ ভাতা পাবেন। কালের কণ্ঠ।

6 COMMENTS

  1. খোঁজ নিয়ে দেখেন অনেক ব্যাংক কর্মকর্তাই এখন পর্যন্ত প্রণোদনা পায়নি!

  2. সকল ব্যাংকারদের স্বাস্থ্য বীমা নিশ্চিত করতে হবে

  3. Agent bank e jara job kore, tara o to jibon er risk nye kaj kore.But tader jonno ki Bangladeshbank er kon Incentive Or prodona ace??

  4. ব্যাংক এর পিটিএস এবংআনসারদের তো দেয় না।তারাও তো প্রতি নিয়ত জীবনেরঝুঁকিনিয়েডিউটি করে যাচ্ছে

  5. বিষয়টি খুবই দুঃখজনক কিন্তু হতাশ না হয়ে আল্লাহর উপর ভরসা রাখেন। সব ব্যাংক যখন দিচ্ছে আপনারাও পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।

  6. আমাদের সোনালীব্যাংক আমাদেরকে একটি টাকাও দেয়নি

Leave a Reply