হোমজব কর্নারক্যারিয়ার টিপসব্যাংকিং ডিপ্লোমা পরীক্ষার ডিউটি করতে চান না কলেজ শিক্ষকরা

ব্যাংকিং ডিপ্লোমা পরীক্ষার ডিউটি করতে চান না কলেজ শিক্ষকরা

করােনাকালে কোনাে ধরনের জনসমাগম না করার জন্য সরকার থেকে বলা হচ্ছে। অথচ আগামী শুক্রবার থেকে ব্যাংকিং খাতের ডিপ্লোমা পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এ পরীক্ষার ডিউটি ও অন্যান্য দায়িত্ব পালনে আগ্রহী নয় স্কুল, কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। একই সঙ্গে ব্যাংকারও অতিমারির মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিতে চান না বলে জানিয়েছেন।

সূত্রমতে, চলতি বছরের মে-জুনের মধ্যে এ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। করােনা অতিমারির কারণে তা নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি।

সম্প্রতি করােনার প্রকোপ আরাে বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে পরীক্ষার তারিখ ঘােষণা দিয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স বা আইবিবি। কলেজের শিক্ষকরা বলছেন, শীতের এই মৌসুমে একে তাে ঋতু পরিবর্তনের কারণে ফ্লু হওয়ার ঝুঁকি আছে। তাছাড়া করােনার প্রকোপ সম্প্রতি আবার বেড়েছে। তাই এ অবস্থায় ডিপ্লোমার মতাে পরীক্ষা না নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলোর আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি এবং মতামত প্রকাশের জন্য ফেসবুক গ্রুপ টেকনো ইনফো বিডি এ লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

তারা বলছেন, করােনা মহামারিকালে সব স্কুল কলেজ বন্ধ আছে এবং এখন পর্যন্ত কোনাে বড় ধরনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এমনকি উচ্চমাধ্যমিক পাবলিক পরীক্ষা না নেওয়ার মতাে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেখানে আইবিবি এরকম একটি ব্যাপক জনসমাগমের পরীক্ষা কোন অনুমােদনের বলে আয়ােজন করছেন তা অনেককেই বিস্মিত করেছে। সাধারণত, সারা বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা ছাড়া প্রত্যেক জেলা শহরে সদরেও একযােগে এই কারণে ফু হওয়ার ঝুঁকি আছে। তাছাড়া করােনার প্রকোপ সম্প্রতি আবার বেড়েছে। তাই এ অবস্থায় ডিপ্লোমার মতাে পরীক্ষা না নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।

তারা বলছেন, করােনা মহামারিকালে সব স্কুল কলেজ বন্ধ আছে এবং এখন পর্যন্ত কোনাে বড় ধরনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এমনকি উচ্চমাধ্যমিক পাবলিক পরীক্ষা না নেওয়ার মতাে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেখানে আইবিবি এরকম একটি ব্যাপক জনসমাগমের পরীক্ষা কোন অনুমােদনের বলে আয়ােজন করছেন তা অনেককেই বিস্মিত করেছে। সাধারণত, সারা বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা ছাড়া প্রত্যেক জেলা শহরে সদরেও একযােগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি ও বেসরকারি সব মিলিয়ে এই পরীক্ষায় প্রায় ২০ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে থাকে।

এদিকে এ বিষয়ে ব্যাংকাররা বলছেন, প্রতিদিন তাদের বহু গ্রাহকের মুখােমুখি হতে হয়। এজন্য এ পরীক্ষা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তারা বলছেন, সরকার যেমন স্কুল কলেজের পাবলিক পরীক্ষায় অটো পাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তেমনি এই পরীক্ষায় যাদের একটি বা দুইটি সাবজেক্ট বাকি আছে তাদের অটো পাশ দেওয়া যেতে পারে।

ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (আইবিবি)-এর সেক্রেটারি জেনারেল মােহাম্মদ নওশাদ আলী চৌধুরী বলেন, করােনা নিয়ে শঙ্কা আমাদেরও আছে। পরীক্ষা পরিচালনা বাের্ড সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে গভর্নরের অনুমতি সাপেক্ষে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেছে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাংকারদের পদোন্নতিসহ বেশ কিছু কারণে আইবিবির পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই দীর্ঘদিন পর এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি খারাপ হলে আমরা পরীক্ষা বন্ধ করে দেব। সূত্রঃ ইত্তেফাক।

এ সম্পর্কিত আরও দেখুন

Leave a Reply

- Advertisment -

এ সপ্তাহের জনপ্রিয় পোস্ট

- Advertisment -

সর্বশেষ পোস্ট

- Advertisment -