অর্থ ও বাণিজ্য

কল মানি রেট বেড়ে দাঁড়ালো ৬.৮০ শতাংশে

ব্যাংকগুলো ওভারনাইট লোন দেওয়ার বদলে শর্ট নোটিশে ও টার্মে লোন দিতে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ সুদের হার।

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

এক ব্যাংকের অন্য ব্যাংক থেকে এক দিনের জন্য সুদে টাকা ধারের হার- অর্থাৎ গড় কল মানি রেট রোববার দাঁড়িয়েছে ৬.৮০ শতাংশে। আগের দিন এই হার ছিল ৬.৭০ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার ওভারনাইটে কলমানিতে সুদের হার ৬.৭০% দরে ধার নেয় ব্যাংকগুলো; বুধবার ছিল ৫.৭৭%। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশনায় ওভারনাইট কলমানিতে সুদের হার বাড়িয়ে সাড়ে ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬.৭৫% করে ব্যাংকগুলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ২০১৬ সালের ২রা মে থেকে কল মানি রেটের ডেটা রয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকগুলো রেপো রেটে ৯৫.৭৫%) ওভারনাইট লোন নিতে পারছে না। তাছাড়া বাজারে লিকুইডিটি শর্টেজ দেখা দেওয়ায় কল মানির হার বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, কল মানি রেটের বৃদ্ধি সত্ত্বেও রোববার ৩,৪২৩ কোটি টাকা থেকে ওভারনাইট লোন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৯৩১ কোটি টাকা।

সামগ্রিকভাবে, তিন ধরনের লোন মিলিয়ে এক ব্যাংক অন্য ব্যাংককে ঋণ দিয়েছে ৪,৫৯৪ কোটি টাকার। শর্ট নোটিশে লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে সুদের গড় হার ছিল সর্বোচ্চ ৮.৭৫% এবং টার্ম লোন ছিল ৮.৯০%।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের প্রধান টিবিএসকে বলেন, ব্যাংকগুলো ওভারনাইট লোন দেওয়ার বদলে শর্ট নোটিশে ও টার্মে লোন দিতে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ সুদের হার।

নতুন কল মানি রেট তেমন একটা প্রভাব ফেলবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমর্থন সত্ত্বেও, অনেক ব্যাংক তাদের তারল্য সংকট মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হচ্ছে, যে কারণে ব্যাংক থেকে ব্যাংকের লোন নেওয়ার প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী।”

আরও দেখুন:
ঋণ পরিশোধে আর কত ছাড়?
খরচ মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঢালাওভাবে ব্যাংক ঋণ নিচ্ছে সরকার
বাণিজ্য মেলায় ইসলামী ব্যাংকের আধুনিক সেবা

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে রেপোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা। আগস্টে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬,২০৬ কোটি টাকা।

সেপ্টেম্বরে ঋণের পরিমাণ আরও বেড়ে ২৯,৬৫০ কোটি টাকা হয়। এরপর অক্টোবরে এই ঋণ ৭৯ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা এবং নভেম্বরে ৬১ হাজার ৮০৩ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।

Leave a Reply

Back to top button