রোস্টারে ডিউটি করবেন ব্যাংক কর্মকর্তারা

0
47
Banker

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় আবারও কর্মীদের রোস্টারে কাজের সূচি চালু হয়েছে ব্যাংকে। একই সঙ্গে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে চালু হয়েছে বাসায় থেকে অফিস বা হোম অফিস। আবার কোনো কোনো ব্যাংক কিছু কর্মীকে পালা করে ছুটিতেও রাখছে।

করোনার সংক্রমণ রোধে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১৮ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেখানে জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অন্য সব প্রতিষ্ঠান ও কার্যালয়কে ৫০ শতাংশ কর্মী দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই নির্দেশনার পর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীদের জন্য হোম অফিস ও পালাক্রমে কাজের সূচি চালু করেছে।

আর গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জনবলের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় ৫০ শতাংশ কর্মী দিয়ে অফিস পরিচালনার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়নি। এরপরও বেশির ভাগ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পালাক্রমে কাজ ও হোম অফিস ব্যবস্থা চালু করেছে।

এ বিষয়ে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে কর্মীদের পালা করে দায়িত্ব প্রদান শুরু করেছি। এ ছাড়া যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রেখে কর্মীদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রাহকদেরও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

এদিকে গতকাল বিভিন্ন ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় সব ব্যাংকই গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে কর্মীদের পালাক্রমে কাজের সূচি চূড়ান্ত করেছে, যা কার্যকর হবে আগামী রোববার থেকে। পূর্বের অভিজ্ঞতা থাকায় এবার এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়েছে বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যাংকার। আবার অনেক ব্যাংক গত বছর থেকেই বাসায় বসে যাতে গ্রাহকেরা বিভিন্ন সেবা পান, অনলাইন সুবিধা ব্যবহার করে সেই সুযোগ তৈরি করেছে।

জানতে চাইলে ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্বে) এস এম বুলবুল বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমাদের অনেক কর্মী আক্রান্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন সম্প্রতি মারা গেছেন। এ জন্য আমরা কর্মীদের কাজের ক্ষেত্রে পালাক্রম ব্যবস্থা চালু করেছি।’

*** ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত সার্কুলারটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে

Leave a Reply