অনুমোদন ছাড়াই বায়ার্স ক্রেডিটে ব্যাংক গ্যারান্টির সুযোগ

বায়ার্স ক্রেডিটের গ্যারান্টির জন্য এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে না। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলার জারি করে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। এতে আমদানি অর্থায়ন সহজ ও সাশ্রয়ী হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বায়ার্স ক্রেডিটের আওতায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিতে গেলে গ্যারান্টি দিতে হয়। বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো আমদানিকারকদের থেকে করপোরেট গ্যারান্টি, পারসোনাল গ্যারান্টি ও তৃতীয় পক্ষের গ্যারান্টি নিয়ে থাকে।

এতদিন এ ধরনের গ্যারান্টি দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। এখন থেকে আর এ অনুমোদন নিতে হবে না। আমদানিকারকরা বলছেন, এতে ব্যবসা সহজ হলো। গ্যারান্টি নিতে সময় লাগত। বিষয়টি নিয়ে জটিলতা কমলো।

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে বিদেশি মুদ্রায় লেনদেনে নিয়োজিত অথোরাইজড ডিলার ব্যাংকগুলোকে পাঠানো হয়। সার্কুলারে বলা হয়, বায়ার্স ক্রেডিটের আওতায় স্বল্প মেয়াদি আমদানি অর্থায়নকে ত্বরান্বিত করতে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্নিষ্ট বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, বায়ার্স ক্রেডিটের মাধ্যমে আমদানি দায় পরিশোধ হলে আমদানিকারকের খরচ কম হয়। কারণ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান পণ্য সরবরাহকারীকে আমদানিকারকের পক্ষে অর্থ দিয়ে থাকে। আমদানিকারক ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানকে সুদসহ অর্থ পরিশোধ করে। এতে আমদানিকারককের এলসি কমিশন ও কনফারমেশন বাবদ যে খরচ হতো, সেটা হয় না।

উল্লেখ্য, বায়ার্স ক্রেডিটের সুদের চেয়ে এলসি কমিশন ও কনফারমেশন খরচ বেশি।

একই দিন অন্য এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রাভেল এজেন্টরা যাতে ভিসা প্রসেসিং ফি সরাসরি সংশ্নিষ্ট দূতাবাস বা দপ্তরের হিসাবে পাঠাতে পারেন, সে লক্ষ্যে এজেন্টদের ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ড ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ভিসা প্রসেসিং ফি সংগ্রহের জন্য দূতাবাসগুলোর নিযুক্ত এজেন্টদের নামে অথোরাইজড ডিলার ব্যাংকগুলো ইন্টারন্যাশনাল কার্ড ইস্যু করতে পারবে।

আরও দেখুন: ইআরকিউ হিসাবে জমার ৫০ শতাংশ নগদায়নের নির্দেশ

অন্য এক সার্কুলারে ব্যাংকগুলোকে বলা হয়, এখন থেকে অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী রেমিট্যান্সের বিপরীতে পরিশোধিত কর ও ভ্যাটের প্রতি মাসের তথ্য পরবর্তী মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রিপোর্ট করতে হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button