Wednesday, October 27, 2021

জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিধিমালা সংশোধন

আরও পড়ুন

জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিধিমালা সংশোধন করেছে সরকার। সোমবার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে এটি পাঠিয়েছে।

চিঠিতে জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিধিমালা সংশোধন করে সরকার অটিস্টিকদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ দিয়েছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সঞ্চয়পত্র শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতর থেকে সঞ্চয় ব্যুরো অফিস ও ডাকঘরগুলোতে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকে এটি কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আলোচ্য সঞ্চয়পত্র থেকে অর্জিত মুনাফা অটিস্টিকদের কল্যাণে ব্যয় করা যাবে। এ সঞ্চয়পত্র কিনতে কোনো সীমা থাকবে না। যে কোনো অঙ্কের সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে। তবে এ সঞ্চয়পত্র কেনার আগে জেলা সমাজকল্যাণ অফিস থেকে প্রত্যয়নপত্র নিতে হবে। এছাড়া আলোচ্য সঞ্চয়পত্রের বাইরে তারা অন্য কোনো সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবে না।

আগের নিয়ম অনুযায়ী- তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র কোনো প্রতিষ্ঠান কিনতে পারত না। শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে একক ও যৌথ নামে এটি কেনা যেত। বর্তমানে ব্যক্তি পর্যায়ে একক নামে ৩০ লাখ এবং যৌথ নামে ৬০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনা যায়।

সূত্র জানায়, অটিস্টিকদের নিয়ে কাজ প্রতিষ্ঠানগুলো দেশি-বিদেশি অনুদান পায়। এ সব অর্থ ব্যাংক হিসাবে অলস পড়ে থাকে। কোনো আয় হয় না বললেই চলে। প্রতিষ্ঠানগুলো আলোচ্য সঞ্চয়পত্র কিনে যাতে বাড়তি মুনাফা করতে পারে সেজন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে।

এগুলো হল- পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্র। এর মধ্যে কেবল পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র ব্যক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রভিডেন্ড ফান্ডের অর্থ দিয়ে কেনা যায়। প্রভিডেন্ড ফান্ডের অর্থে অন্য কোনো সঞ্চয়পত্র কেনা যায় না।

Leave a Reply

সাম্প্রতিক পোস্ট

এ সম্পর্কিত আরও দেখুন