নিউজ

অ্যামাজন আসছে বাংলাদেশে!

টিআইবিঃ সময় বাঁচাতে ঘরে বসেই ঝামেলা ছাড়া কেনাকাটায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অনলাইন বেচাকেনা। ই-ক্যাব এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালে অনলাইনে বিক্রি হয় ১০০০ কোটি টাকার পণ্য এবং ২০১৮ সালে তা বেড়ে ৪০০০ কোটিতে উন্নিত হয়।

টেকনো ইনফো বিডি‘র প্রিয় পাঠক: প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও চাকরির গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ টেকনো ইনফো বিডি তে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।

ক্রমবর্ধমান এই বাজার ধরতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স কোম্পানি অ্যামাজন বাংলাদেশে প্রবেশের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আর এতেই শংকায় পড়েছে স্থানীয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। তারা বলছে অ্যামাজন বাংলাদেশে আসলে তারা পাল্লা দিয়ে ব্যবসা করতে পারবে না।

ই-কমার্স এসোসিয়েশন (ই-ক্যাব) এর রেজোয়ানুল হক জামি জানান, অ্যামাজন বিশ্বের ৩-৪ টি বড় কম্পানিদের একটি। এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের আসলে ক্রেতারা যেমন উন্নত বিশ্বের মত অনলাইন কেনাকাটার সুবিধা পাবেন তেমনি লোকাল উদ্যোগতাদের টিকে থাকতে হলে স্বচ্ছতার সাথে ব্যবসা করতে হবে।

অনেক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশে ই-কমার্স এর নামে যেসব বড় ও লোকাল প্রতিষ্ঠান আছে তারা সৎ ভাবে ব্যবসা করেন না। বিশ্ববিখ্যাত ইলেক্টনিক কম্পানি যেমন শাওমি,আসুস,জে-টিইসহ অনেক কম্পানি স্বল্পোন্নত দেশের জন্য সুলভ মূল্যে বিভিন্ন পণ্য বাজারে আনে। অথচ বাংলাদেশে যখন এসব পন্য লোকাল দোকানের মাধ্যমে প্রবেশ করে তারা ট্যাক্স এর দোহাই দিয়ে চড়া মূল্য রাখে।

উদাহরন স্বরুপ ধরুন, ভারতসহ আশেপাশের দেশে শাওমি,আসুস,অপ্পোসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সুলভ মুল্যে স্মার্টফোন বাজারে আনে কিন্ত বাংলাদেশে আসলে তার দাম অবস্থা ভেদে ৫-৭ হাজার টাকা বেশি রাখা হয়।

বাংলাদেশে অ্যামাজনের প্রবেশের ব্যাপারে তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, সরকারের প্রনীত ই-কমার্স নীতি অনুসরণ করেই অ্যামাজনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে হবে।

কিছুদিন আগেই ট্রিলিয়ন ডলার ক্লাবে প্রবেশ করা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স কোম্পানি অ্যামাজন প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে। শতভাগ সরাসরি বিনিয়োগ নিয়ে ২০২০ সালের শুরুতেই বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করবে আশা কোম্পানিটির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের।

চলতি বছরেই বাংলাদেশে সফরকালে অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই), ব্যাংকিং খাত, বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে বৈঠক-আলোচনা করে গেছেন। বৈঠকে তারা বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করার পাশাপাশি সরকারের একশপ ই-কমার্স মার্কেটপ্লেসের অবকাঠামোগত সুবিধা চেয়েছে অ্যামাজন। যদিও এখন পর্যন্ত একশপ অ্যামাজনের সঙ্গে যুক্ত নয়।

Leave a Reply

Back to top button