টেকনো ইনফো: ফিঙ্গার প্রিন্ট অতীত। এবার মুখ দেখালেই খুলবে ফোন। ফিঙ্গার প্রিন্টের প্রয়োজন আর পড়বে না। সৌজন্যে অবশ্যই অ্যাপল আইফোনের নয়া মডেল।

মঙ্গলবার ভারতীয় সময় গভীর রাতে বিশ্বমঞ্চে আত্মপ্রকাশ করল অ্যাপলের ঝাঁ-চকচকে নয়া মডেলের স্মার্টফোন। নাম- আইফোন এইট, আইফোন এইট প্লাস এবং আইফোন এক্স। তিনটিই অ্যাপলের আগের আইফোন সেভেন সিরিজ অর্থাৎ আইফোন সেভেন এবং আইফোন সেভেন প্লাস স্মার্টফোনের আরও উন্নত সংস্করণ। মঙ্গলবার সান ফ্রান্সিসকোয় অবস্থিত অ্যাপল সংস্থার ফ্ল্যাগশিপ ক্যাম্পাস ‘অ্যাপল পার্ক’-এর স্টিভ জোবস থিয়েটারে নয়া এই স্মার্টফোনের সঙ্গে সকলের পরিচয় করিয়ে দেন সংস্থার সিইও টিম কুক।

কী কী বৈশিষ্ট্য থাকছে আইফোন এইট-এ? জানা গেছে আইফোন এইট এবং আইফোন এইট প্লাসে থাকছে ওয়ারলেস চার্জিংয়ের ব্যবস্থা। বিষয়টা অনেকটা এরকম যে, এবার থেকে ফোনে চার্জ কমে গেলে প্লাগ পিনে তা লাগিয়ে চার্জ হওয়ার অপেক্ষায় থাকার দরকার নেই। একটি চার্জিং প্যাড থেকেই চার্জ দেওয়া যাবে।

ফোনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড চার্জ রিসিভ করতে পারবে। দু’টি ফোনেই থাকছে ‘গ্লাস-বডি’। থাকছে এ১১ বায়োনিক চিপও। এখনও পর্যন্ত যা পৃথিবীর কোনও স্মার্টফোনেই এই শক্তিশালী চিপ নেই। দু’টি মডেলেরই ক্যামেরার উৎকর্ষতা আগের তুলনায় আরও উন্নত করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে অডিও-র ক্ষমতা। ফোনের যত কাছে যাবেন, এর অডিও সিস্টেমের ‘ভলিউম’ তত বাড়বে। রয়েছে ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপও।

দাম? ৬৪ জিবি এবং ২৫৬ জিবি স্টোরেজ অপশন থাকছে আইফোন এইট এবং আইফোন এইট প্লাসে। এছাড়া ধুলো এবং জল কোনওকিছুতেই নষ্ট হবে না এই ফোন। আইফোন এইট এর দাম শুরু হচ্ছে ৬৯৯ মার্কিন ডলার থেকে(ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৫ হাজার টাকা)। আইফোন এইট প্লাসের মূল্য শুরু হচ্ছে ৭৯৯ মার্কিন ডলার থেকে। প্রারম্ভিক বুকিং শুরু হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে। হাতে পাওয়া যাবে ২২ সেপ্টেম্বর।

অন্যদিকে, আইফোন এক্স-এ কোনও হোম বটন থাকছে না। এতে রয়েছে অভিনব ‘ফেস আইডি’-র সুবিধা। এর ফলে ফোনের নিরাপত্তা আরও জোরদার হল। কারণ দশ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র একজনই তাঁর মুখাবয়বের সাহায্যে ফোন আনলক করতে পারবেন। শুধু ফোনটা উপরে তুলতে হবে আর সেটির দিকে তাকাতে হবে। আপনার চোখ বন্ধ থাকলে ফোন আনলক হবে না। এছাড়াও আইফোন এক্স-এ থাকছে এ১১ বায়োনিক চিপ। এই ফোনটিকে ‘অ্যাক্টিভেট’ করা যাবে ‘ট্রু-ডেপথ ক্যামেরা সিস্টেম’ দিয়ে।

Leave a Reply